চট্টগ্রাম, , বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

admin

শাহ আমানত সেতুর টোলপ্লাজায় ভাঙচুর অভিযোগে এএসপি মশিয়ারকে প্রত্যাহার

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-০৩ ২০:৫৯:০১ || আপডেট: ২০১৮-০৮-০৩ ২০:৫৯:০১

বীর কন্ঠ ডেস্ক  :

চট্টগ্রামের শাহআমানত সেতুর টোলপ্লাজায় ভাঙচুর ও দায়িত্বরত কর্মকতা-কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগে মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি মশিয়ার রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে জেলার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কর্ণফুলী শাহআমানত সেতুর মইজ্জারটেক টোলপ্লাজায় তিনি ভাঙচুর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জেলা পুলিশ সুপার নুরে-আলম মিনা বলেন, ঘটনার পর এএসপি মশিয়ার রহমানকে প্রত্যাহার করে পু্লিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মিরসরাই স্টেশন ত্যাগ করে এএসপি মশিয়ার রহমান কেন কর্ণফুলী এসেছিলেন জানি না। আমাদেরকে তিনি জানাননি। বিষয়টি পুলিশ সদর দফতরে জানানো হয়েছে।

কর্ণফুলী শাহআমানত সেতুর ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের ইনচার্জ অপূর্ব শাহাব বলেন, দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন মিরসরাই সার্কেলের এএসপি মশিয়ার রহমান। সে সময় তিনি তার গাড়িতে সাদা পোশাকেই ছিলেন।

তিনি জানান, সেতুর টোলপ্লাজার দুইটি বুথে টোল সংগ্রহ করছিলেন কর্মচারী সোহাগ ও ফয়সাল। কয়েকটি গাড়ির পরেই এএসপি মশিয়ারের গাড়ি ছিল। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ি থেকে নেমে তিনি বুথের গ্লাস ভাঙা শুরু করেন। পরে বুথ থেকে বের করে সোহাগ ও ফয়সালকে মারধর করেন।

অপূর্ব শাহাব বলেন, এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করতে গেলে সাদ্দাম হোসেন নামে আরও একজনকে মারধর করেন এএসপি মশিয়ার। পরে তিনি তার গাড়ির সামনে থাকা অন্যান্য গাড়িগুলো টোলগ্রহণ ছাড়াই ছেড়ে দিতে বাধ্য করেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পর তিনি চলে যান।

টোলপ্লাজার কর্মকর্তা অপূর্ব শাহাব আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এএসপি মশিয়ার ওই সময় মাতাল অবস্থায় ছিলেন।

এই বিষয়ে জানতে এএসপি মশিয়ার রহমানের সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলার কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দুল মোস্তফা বলেন, টোলপ্লাজায় ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধরের বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *