চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

আবদুল হাকিম রানা পটিয়া প্রতিনিধি

পটিয়ায় নিহত কিশোরীর লাশ উদ্ধার :মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে যুবক মাসুদ

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-০৮ ২৩:৪০:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০৯-০৮ ২৩:৪০:০৩

আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ :

পটিয়ার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রেল লাইনের বেলতল এলাকা থেকে আজ (শনিবার) দুপুরে গলা কাটা অবস্থায় রক্তাক্ত এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই স্থান থেকে আহত অপর গলা কাটা এক যুবককে গুরুত্বর অবস্থায় পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়া হলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার ক্ল্যু উদ্ধারের জন্য ক্রাইম সিন দিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। মৃত কিশোরীর নাম রিমা আকতার (১৩)। সে উপজেলার পূর্ব হাইদগাঁও গ্রামের মাহদাম পাড়ার মঞ্জুরুল আলমের কন্যা। সে হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। তার পরনে স্কুল ড্রেস রয়েছে। অপরদিকে আহত যুবকের নাম নজরুল ইসলাম মাসুদ (২২)। সে পৌর এলাকার উত্তর গোবিন্দারখীল গ্রামের (ফইল্ল্যাতলী) মৃত আবুল কালামের পুত্র বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন খান ও পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. নেয়ামত উল্লাহ সহ একদল পুলিশ পরিদর্শন করেন। এসময় তারা বলেন, এটি রেলওয়ের কনস্টেন্সি এরিয়া হওয়ায় বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশ দেখবে। আমরা শুধু ঘটনার সিমটম ধরে রাখার জন্য ক্রামই সিন দিয়ে ঘটনাস্থলটি নিয়ন্ত্রণ করছি। ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত একটি ছুরি নিহত কিশোরীর পাশে রয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়। বর্তমানে শত শত মানুষ এ বিষয়টি দেখতে ঘটনাস্থলে ভীড় করছে।

এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রামের জিআরপি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজ ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় পটিয়ায় এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত এক যুবককে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমাদের একটি পুলিশ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মৃতদেহ গ্রহণ করে ময়না তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বর্তমানে আহত নজরুল ইসলাম মাসুদ চমেক হাসপাতালের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার গলায়ও ধারালো ছুরির আঘাত থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে সূত্রে প্রকাশ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *