চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্যমন্ত্রির গ্রামের বাসিন্দা বৃদ্ধ মালেকের আকুতি

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০৫ ২০:৫৫:৩৮ || আপডেট: ২০১৯-০৩-০৫ ২০:৫৫:৩৮

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম খুরুশিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক (৭০) বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুর আগে বসতবাড়ি ও ধানী জমিসহ প্রায় এক একর সম্পক্তি দখলমুক্ত দেখতে চান। বৃদ্ধ আব্দুল মালেক বলেন, “আমার গ্রামের সন্তান দেশের একজন মন্ত্রি ড. হাছান মাহমুদ। আমার কষ্টের কথা যদি জানাতে পারতেন তাহলে শেষ বয়সে আমার অন্তর একটু শান্তি পেত। ” বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই বৃদ্ধা মন্ত্রির কাছে গিয়ে দেখা করতে পারছেন না জানিয়ে আরো বলেন,“ তাঁর প্রতি ন্যায় বিচার করলে , তথ্যমন্ত্রির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন। যাতে তিনি বিশ্বের একজন নামী ব্যক্তি হয়।” জানা গেছে, আব্দুল মালেক বিগত ৬০ বৎসর ধরে তার পৈত্রিক বসতবাড়ি ও ধানী জমি ভোগ দখল করতে পারছেনা। সরকারি খাস জমিতে একটি ঝুঁপড়িতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করেন বিগত ৬০ বৎসর। জমি ও বাড়ি ফেরত চাইতে গিয়ে একাধিকবার হামলা চরম নির্যাতন ভোগ করেছেন।

প্রভাবশালী খুরুশিয়া ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা হোসেন সওদাগর ও সাকা চৌধুরীর স্বশস্ত্র সাবেক ক্যাডার আব্দুস সালাম একাধিকবার বৃদ্ধা মালেক ও পরিবারকে হামলা করে জোর পূর্বক জমি ও বাড়ি দখলে রেখেছেন। নিরুপায় হয়ে তাঁর বড় মেয়ে হোসেন আরা বাদী হয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে। রাঙ্গুনিয়া সিনিয়র জজ আদালতে মামলা করলে বিচারে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালত বৃদ্ধা মালেকরে পক্ষে রায় দেন। বিবাদীরা গায়ের জোরে আদালতের রায় অমান্য করে সম্পক্তি জবর দখল রাখতে চায়। সমাজপতি ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান ও বদিউল আলম ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মশিউর রহমান জমির দখল বুঝিয়ে দেয়ার পরও প্রতিপক্ষরা পুনরায় দখলে নিয়েছেন। ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেনা। রাঙ্গুনিয়া শিলক তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মুজিবুর রহমান বিবাদীদের নোটিশ দিয়েও থানায় হাজির করতে পারেনি।

বৃদ্ধা মালেক তথ্যমন্ত্রির বাড়িতে গিয়ে দেখা করার তার শারীরিক সামর্থ্য নেই। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে দিনানিপাত করছে। প্রতিদিন আতংক ও ভয় নিয়ে মালেকের দূর্বিসহ জীবন চলছে। দেশের সন্তান তথ্যমন্ত্রির কাছে বিচার চেয়ে বসতবাড়ি জমি ফেরত চান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *