চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০

admin

ভাসমান দোকান উচ্ছেদের পর আবারো হকারদের দখলে

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৭ ১২:০৯:৪৮ || আপডেট: ২০২০-০১-০৭ ১২:১০:৫৬


আব্দুল্লাহ আল সাকিব, চকরিয়া :
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরে ভাসমান দোকান উচ্ছেদের দুই ঘন্টা পর আবারো হকারদের দখলে চলে গেছে ফুটপাত। ৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী অভিযান পরিচালনা করে। ভ্রামম্যাণ আদালত অভিযান চালিয়ে চলে যাওয়ার পরপরই পূনরায় দাপুটের সঙ্গে ব্যবসা করছেন মৌসুমী ব্যবসায়িরা।


ব্যবসায়িদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট স্থান না থাকার কারণে ফুটপাতে ব্যবসা করছেন। তবে চকরিয়া পৌরসভা থেকে ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু হকার উচ্ছেদের নামে অভিযান চালিয়ে ব্যবসায়িদের এক ধরণের হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান তারা।
জানা যায়, চকরিয়া পৌরশহরের মাতামুহুরী ব্রিজ হতে শহীদ আবদুল হামিদ বাসটার্মিনাল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে প্রায় এক হাজার অবৈধ ভাসমান ব্যবসা রয়েছে। এ ফুটপাতে পৌরবাসির চলাচল করার কথা থাকলেও এখন সে পরিস্থিতি নেই। ফুটপাতের সিংহভাগই দখল করে রেখেছে হকাররা।

চকরিয়া পৌরশহরের প্রায় সময় হকারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু কিছু সময় পার হতেই হকাররা ফের ফুটপাত দখল করে বসে। হকারদের এ দৌরাত্ম্যের কারণে পৌরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। হকারদের কারণে ফুটপাতে পা ফেলাই দায়। শীতকালীন কাপড়চোপড়, ফলমূল, জুতা, চড়পটির দোকান ও সবজিসহ হরেক পণ্য নিয়ে এসব এলাকার ফুটপাত দখল করে রেখেছে হকাররা।

হকারদের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছেন কতিপয় ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, সোমবার ৬ জানুয়ারি শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ ছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও দোকানের সামনে মালামাল রাখার দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করায় দুটি গাড়িও জব্দ করা হয়।


চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, ‘পৌরশহরকে পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। ওষুধের দোকান গুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা এবং দোকানের সামনে অবৈধভাবে মালামাল রাখার দায়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এছাড়া পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকায় গাড়ির কাউন্টার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সড়কে যততত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে মালামাল লোড-আনলোড করার দায়ে দুটি গাড়ি জব্দ করেছি এবং পৌরশহরের আবাসিক হোটেল ডি-ফোর থেকে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ৬ জন তরুণ-তরুণীকে আটক করা হয়।’


তিনি আরও বলেন,‘পৌরশহরে কোনোভাবেই ভাসমান দোকান বসানো যাবে না। পুরাতন বাস টার্মিনালে থাকা কাউন্টারগুলোকে অবশ্যই নির্দিষ্ট বাস টার্মিনালে চলে যেতে হবে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *