চট্টগ্রাম, , শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

শংকর চৌধুরী খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি

কালেরকন্ঠের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে : খাগড়াছড়িতে জমকালো আয়োজন

প্রকাশ: ২০২০-০১-১০ ১৯:২৯:১৫ || আপডেট: ২০২০-০১-১০ ১৯:২৯:২৪

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়িতে জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে দৈনিক কালেরকন্ঠের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ বীর যোদ্ধা রণ বিক্রম ত্রিপুরাকে দেয়া হয় সংবর্ধনা এবং সম্মাননা।
শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে এ আয়োজন করে কালেরকন্ঠ শুভসংঘ।

শুভসংঘের উপদেষ্টা এডভোকেট নাসির উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে কালেরকন্ঠের ব্যতিক্রমী আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এর (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি। প্রথমেই কালেরকন্ঠের জন্মদিনের কেক কাটেন অতিথিরা। কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি আবু দাউদের সঞ্চালনায় একে একে অনূভূতি প্রকাশ করেন বিশিষ্টজনরা।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি নির্মলেন্দু চৌধুরী, বিএনপি’র উপদেষ্টা এডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ ভূইয়া, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অমৃত লাল ত্রিপুরা, প্রফেসর বোধিসত্ত্ব দেওয়ান, খাগড়াছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: শানে আলম, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: কাশেম, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মারমা উন্নয়ন সংসদের সভাপতি চাইথোঅং মারমা, প্রেসক্লাবের সভাপতি জীতেন বড়ুয়া, অরণ্যবার্তার সম্পাদক চৌধুরী আতাউর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক তরুণ কুমার ভট্টাচায্য, জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি জুয়েল চাকমা, পরিষদ সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের জেলা সভাপতি এডভোকেট মহিউদ্দিন কবির বাবু, বিশিষ্ট রাজনীতিক রফিকুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ ধর্মরাজ বড়ুয়া অংশ নেন।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবী এবং রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আনন্দঘন হয়ে উঠে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা সংবর্ধিত অতিথি মুক্তিযোদ্ধা রণ বিক্রম ত্রিপুরাকে কালেরকন্ঠের পক্ষ থেকে উত্তরীয় গলায় পরিয়ে দেন। একটি ক্রেষ্ট এবং সম্মাননা হিসেবে নগদ ১০ হাজার টাকা তাঁর হাতে তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি কালেরকন্ঠের বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসি সাংবাদিকতার ভূয়ুশী প্রশংসা করেন। তিনি পত্রিকাটির সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেয়া ব্যতিক্রমী নানা উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। সবশেষে শহরে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে সকল অতিথি ও বিশিষ্টজনরা যোগ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *