চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

শফকত হোসাইন চাটগামী বাঁশখালী প্রতিনিধি

বাঁশখালীতে ট্রলার ডুবে ৪ জনের প্রাণহানি

প্রকাশ: ২০২০-০২-১৯ ২৩:৪৭:২৬ || আপডেট: ২০২০-০২-২০ ০০:০৩:০১

বাঁশখালী প্রতিনিধি :

মালেক শাহ’র ওরশে যাওয়ার পথে বাঁশখালীর কাথারিয়া ইউনিয়ন ও গন্ডামারা ইউনিয়নের জ্বলকদর খালে আজ বুধবার সকালে পৃথক দুই নৌকা ডুবির ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ওরশ উপলক্ষে কুতুবদিয়া মালেক শাহ (র.) হুজুরের দরবার শরীফে নৌকাযোগে বাঁশখালী থেকে যাবার সময় পৃথক দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। ৪০/৫০ জনের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ফিশিং বোটে ১২০/১২৫ জন যাত্রী নেওয়ার কারণে এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালে উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রাম থেকে ১২০ জনের অধিক ওরশ যাত্রী একটি ফিশিং বোট নিয়ে যাত্রা করে।

জ্বলকদর খালের কাথারিয়া চুনতি বাজারের দক্ষিণে পৌঁছলে অতিরিক্ত ফিশিং বোটটি উল্টে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে ফিশিং বোট চাপা পড়ে প্রবাসী মো. আক্কাস (২৮) ঘটনাস্থলে মারা যান।

ওই সময় হালিয়া পাড়া কে জি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্র মো. মিনহাজ (১০) নিখোঁজ হলে কিছুক্ষণ পর ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তার লাশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় আহত হয়ে মো. বাবুল (৪০) ও আলী আকবর (১০) নামের দুজন বাঁশখালী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যান্য যাত্রীরা সাঁতার কেটে জ্বলকদর খালের পাড়ে ওঠেন।


অপর ঘটনাটি ঘটেছে, জ্বলকদর গন্ডামারা এলাকায় সমুদ্র মোহনায়। খানাখানাবাদের কদম রসুল এলাকার ১২৫ জন যাত্রী নিয়ে জনৈক হারুনের ফিশিং বোটে করে জ্বলকদর খাল হয়ে কুতুবদিয়া দরবার শরীফে যাচ্ছিল।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার গন্ডামারা সাগর মোহনায় পৌঁছলে ফিশিং বোটটি উল্টে যায়। ওই ঘটনায় খানখানাবাদের রায়ছড়া গ্রামের আব্দুল মালেক (৫০) এবং কদম রসূল গ্রামের আব্দুল জলিল (৩২) মারা যান।

ওই ঘটনায় ১৩ জন যাত্রী আহত হয়। অন্যান্য সাঁতার কেটে কূলে ভিড়ে।


বাঁশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ রেজাউল করিম মজুমদার জানান, নৌকা ডুবির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার করেছে। পুলিশ সার্বক্ষণিক দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছে। নিখোঁজ কেউ আছে কিনা তদারকি করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *