চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

মো: নুরুল আলম, চন্দনাইশ(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চন্দনাইশে ১৯ জন কোয়ারেন্টাইন সেইভ হোমে বিদেশী শিক্ষার্থীসহ

প্রকাশ: ২০২০-০৩-২০ ১০:৪১:৫৭ || আপডেট: ২০২০-০৩-২০ ১০:৪৩:০৭


নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দনাইশ :
চট্টগ্রামে চন্দনাইশ উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে বিদেশ ফেরত ১২ জন ও উপজেলার বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন বিদেশী শিক্ষার্থীসহ ১৭জনকে কোয়ারেন্টাইন সেইভ হোমে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসন।


গত শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তাদের নিজ বাড়ি ও বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

চন্দনাইশে সৌদিয়া, কাতার, ফ্রান্স, দুবাই, নেপাল,ভারত থেকে আসা ১৭ জনকে কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের তালিকায় রেখেছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। গত ১০ মার্চ থেকে ২০ মার্চ সকাল পর্যন্ত যারা বিদেশ থেকে চন্দনাইশ প্রবেশ করেছেন।


তাদের মধ্যে ফ্রান্স থেকে ১ জন, সৌদি আরব থেকে ২ জন, দুবাই থেকে ৩ জন, কাতার থেকে ১ জন দেশে আসেন এবং বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্বদ্যালয়ের নেপালের ২ এবং ভারতে থেকে আসা ৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।


হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশ ফেরতরা হলেন উপজেলার দুবাই থেকে এসেছেন জোয়ারা নগরপাড়ার আবুল ফয়েজ, জিহস ফকিরপাড়ার মো. ফারুক, সৌদিয়া থেকে চৌধুরীপাড়ার মো. বোরহান, জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাশেদ, পৌরসভার গাবতল মো. মফিজ, বদুরপাড়ার মো. এমরান উদ্দিন, কাতার থেকে মধ্যম চন্দনাইশে সাজ্জাদ হোসেন, ফ্রান্স থেকে হাশিমপুর বড়ুয়া পাড়ার অঞ্জন বুড়য়া, জামাজুরি এলাকার দিলীপ বিশ্বাস, বিজিসি ট্রাস্টের শিক্ষার্থী যথাক্রমে নেপালের সুনিল কুমার দেওয়ানজি, সম্ভু প্রসাদ সাহা, ভারতের শ্রীমান লাহিড়ী , উম্মে হাবিবা, রাবিক জ্জামান, সামিনা আকতার, শ্রেয়ান্স ত্রিপতিসহ ১৭জন।


চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহীন হাসান চৌধুরী জানান, চন্দনাইশে আরও প্রচুর প্রবাসী ইতি মধ্যে দেশে প্রবেশ করেছেন।

এদের তালিকা সংগ্রহের জন্য কাজ চলছে। বিদেশ ফেরত এসব ব্যক্তিদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় তারা যেন ঘরের বাইরে যেতে না পারেন সেজন্য উপজেলা প্রশাসন ,পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী, ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম পুলিশ তাদের খবরাখবর নিচ্ছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *