চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

নাইক্ষ্যংছড়িতে করোনার শংকায় ২৪ প্রবাসী সনাক্ত : ৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ

প্রকাশ: ২০২০-০৩-২১ ১৯:২১:০৯ || আপডেট: ২০২০-০৩-২১ ১৯:২১:১৭

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কুঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ২৪ জন প্রবাসী সনাক্তের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
তার মধ্যে ৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এদের সকলেই বিদেশ ফেরত প্রবাসী।

শনিবার( ২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু জাফর মোঃ ছলিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা মধ্যে রয়েছে ৮ জন এদেকে নিজ বাসস্থানে হোম কোয়ারেন্টাইন হিসেবে সেইভে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাকী ১৬ জন বিদেশ ফেরতের ১৪দিন অতিক্রম হওয়াতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার প্রয়োজন নেই বলে জানান।

হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশনার মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার উত্তর বিছামারা গ্রামের বাগান ঘোনা এলাকার ২জন।


দুই জনেই দুবাই প্রবাসী। অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন
সদর ইউনিয়নের চাকঢালা গ্রামের ১জন,কম্বোনিয়া গ্রামের ১জন,চাকঢালার লম্বা মাঠ ১জন।


এই তিন জনেই ভারত থেকে ফেরত আসা। ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু গ্রামের উত্তর পাড়ার ১জন,বাইশারী ইউনিয়নের যৌথ খামারপাড়ার ১জন,উত্তর বাইশারী গ্রামের ১ জন রয়েছেন ।


ডাঃ আবু জাফর মোঃ ছলিম আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ শয্যা বিশিষ্ট করোনা ভাইরাস কোভিট-১৯ আইসোলেশন প্রস্তুতি রয়েছে। কক্ষটি একেবারে নতুন এখনো রোগীকে ব্যবহার করতে হয়নি। সর্বশেষ তথ্যে ঐ ৮ জনকে নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ ১৪ দিন বাসা থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
আর এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১,বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান (বিজিবি) সীমান্তে মায়ানমারের অবৈধ অনুপ্রেবেশসহ মরণ ব্যাধি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ জীবানু বহন করে যেন সীমান্তের মায়ানমার থেকে আসতে না পারে সেই লক্ষ্যে সীমান্তে কঠোর নজরধারী ও টহলে রয়েছেন বলে বিজিবি সূত্রে জানান।

১১,বিজিবির জোন কমন্ডার ও অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আসাদুজ্জামানজানান, বিজিবি জোয়ানেরা সীমান্তের সমস্ত বিওপি গুলোতে সর্তকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে যে সীমান্তের ওপার থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ জীবানু যেন বহন করে এদেশে না আসে সেই সর্তকতা নিয়ে সীমান্তের দু,দেশের আসা-যাওয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে সার্বক্ষণিক সর্তকে রয়েছে সীমান্তের বিজিবি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি জানান,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমন নির্দেশনা দেয়া আছে বাহিরের কোন রোগী হাসপাতালে প্রবেশের আগে বাহিরের ভেসিনে হ্যান্ড ওয়াশ, মাক্স ব্যবহার করে পরিস্কার পরিছন্নতা বজায় রেখে প্রবেশ করতে।
এ বিষয়ে চিকিৎসকেরা সর্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করার খুঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।


গুজবে কান না দিয়ে সর্তকতা হওয়ার জন্য প্রতিদিন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন পন্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া উপজেলা ১০সদস্য বিশিষ্ট করোনা প্রতিরোধ কমিটি করা হয়েছে। কমিটির মাধ্যমে উপজেলার ৫ ইউনিয়নে করোনাভাইরাস বিষয়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *