চট্টগ্রাম, , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

কাইছার হামিদ

এক লাফেই ‘সেঞ্চুরি’ দাম পেঁয়াজের

প্রকাশ: ২০২০-০৯-১৫ ২২:৪৭:৩০ || আপডেট: ২০২০-০৯-১৫ ২২:৪৭:৩৬

অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মুল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তাুনি বন্ধ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। এর একদিনের মাথায় মঙ্গলবার সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ ভোগ্য পণ্যের পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জে  প্রতি ঘণ্টায় বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। অথচ আগেরদিন সোমবার সকালে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজি প্রতি ৩৫ টাকা।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত কেজিপ্রতি দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৭০-৮০ টাকায়। খুচরাতে এক লাফেই ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ‘রপ্তানি বন্ধের খবরে রাতারাতি আড়তদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন’। একরাতে কিভাবে দাম বাড়তে পারে?  খুচরা ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ কেনার জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন। অনেক আড়তদারই পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। যে কয়েকটি আড়তে বিক্রি হচ্ছে, তাও ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় নগণ্য।বাজার স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

এক খুচরা ব্যবসায়ী জানান,  আড়তদারদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে। ৭০ টাকায় কেজি দরে পেঁয়াজ কিনলে আমরা খুচরা পর্যায়ে কত টাকায় বিক্রি করব তা নিয়ে দুঃচিন্তায় আছি।

দেশের খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে আতঙ্কিত হয়ে জনসাধারণকে অতিরিক্ত পেঁয়াজ না কেনা এবং ব্যবসায়ীদেরকে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির আহ্বান জানিয়েছেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম।

আজ  মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর)  চিটাগাং চেম্বারের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘হঠাৎ করে পেঁয়াজের মূল্য খুচরা পর্যায়ে যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে ভোক্তাসাধারণ প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনার জন্য খুচরা দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এ সুযোগে কিছু পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী অযথা পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করছেন। কিন্তু পূর্বের আমদানিকৃত পেঁয়াজের হঠাৎ করে মূল্য বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

তিনি আরও জানান, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজের মজুদ রয়েছে। আগামী দিনের চাহিদা পূরণে চীন, মিশর, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকে অতি শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া সড়ক পথেও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে বর্তমান চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে মনে করেন মাহবুবুল আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *