চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

admin

কক্সবাজারে পাহাড় কেটে বালি বিক্রি: আসামিকে পরিবেশের নোটিশ

প্রকাশ: ২০২২-০৯-১৪ ২১:৪৯:৫৪ || আপডেট: ২০২২-০৯-১৪ ২১:৪৯:৫৮

কক্সবাজার প্রতিনিধি|
কক্সবাজারের পিএমখালীতে সংরক্ষিত বনের পাহাড় কেটে দেড় কোটি ঘনফুট বালি বিক্রির অভিযোগে ১৩ মামলার আসামি ওবায়দুল করিম ও নাছির উদ্দীন রুনোকে দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম। গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও তারা হাজির হননি বলে জানা গেছে।

গত ৩১ আগস্ট দায়েরকৃত এনফোর্সমেন্ট মামলা নং ৩৩৯/২০২২ মূলে গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ের পরিচালক মুফিদুল আলম। কিন্তু ধার্য তারিখে ওবায়দুল করিম ও নাছির উদ্দীন রুনো নামের ওই দুই পাহাড়খেকো হাজির হননি। জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মুফিদুল আলম জানান, তারা ধার্য তারিখে হাজির হননি। পরবর্তী ধার্য তারিখে হাজির হতে আবারও নোটিশ দেয়া হবে।

জানা যায়, গত ১০ বছর ধরে সিন্ডিকেট করে পিএমখালীতে পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে চিহ্নিত পাহাড়খেকো ওবায়দুল করিম। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বন বিভাগ ৯টি এবং পরিবেশ অধিদপ্তর ৪টি মামলা করে।

কিন্তু এরপরও পাহাড় কাটা অব্যাহত রাখে সিন্ডিকেটটি। সর্বশেষ কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলার ঘোনারপাড়া (তেইল্ল্যাকাটা) এলাকায় রক্ষিত বনভূমিতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৬/৭ মাসে আনুমানিক ১০ একরের ৫/৬টি পাহাড় কেটে প্রায় দুই কোটি ঘনফুট বালি বিক্রি করে। এ বিষয়ে দুই ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিন পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় দেড় কোটি ঘনফুট পাহাড় কাটার অভিযোগে গত ৩১ আগস্ট ওবায়দুল করিম ও নাছির উদ্দীন রুনোর বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল। নোটিশে গত ৯ সেপ্টেম্বর হাজির হতে বলা হলেও তারা হাজির হননি। জানতে চাইলে ওবায়দুল করিম নোটিশ পাননি বলে দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ায় এনফোর্সমেন্ট’র সুপারিশ পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বিজ্ঞ আদালতেও দাখিল করা হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *