চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

admin

বাংলাদেশের প্রশংসা মালালার

প্রকাশ: ২০১৭-০৯-০৫ ০৪:২৬:১৮ || আপডেট: ২০১৭-০৯-০৫ ০৪:২৭:৩৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে তা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই।

 

একই সঙ্গে রাখাইনে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বিশ্বের অন্যান্য দেশকে বাংলাদেশকে অনুসরণের জন্য বলেছেন তিনি।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেয়া এক টুইট বার্তায় মালালা বলেন, সহিংসতা বন্ধ করুন। আজ আমরা মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নিহত শিশুদের ছবি দেখছি। এই শিশুরা কারো ওপর হামলা চালায়নি। অথচ তাদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

মিয়ানমারে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে টুইট করেন পাকিস্তানের এই নোবেল জয়ী। সহিংসতা এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের খাবার সরবরাহ, আশ্রয় ও শিক্ষার সুযোগ দিতে বাংলাদেশকে উদাহরণ হিসেবে অনুসরণ করতে পাকিস্তানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

টুইটে মালালা আরো বলেন, ‘আমি সব সময় খবর দেখি, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের কষ্টে আমার হৃদয় ভেঙে যায়।’ রাখাইনে সহিংসতার বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মালালা বলেন, ‘যেখানে রোহিঙ্গারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছেন, সেখানে যদি তাদের আবাস না হয় তাহলে কোথায় তাদের আবাস?’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া উচিত, যেখানে তারা জন্মগ্রহণ করেছেন।

 

 

 

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নিপীড়নের ঘটনায় শান্তির নোবেল জয়ী মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি’কে নিন্দা জানানোরও আহ্বান জানিয়েছেন মালালা।

 

তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে আমি বারবার রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমারের ‘মর্মান্তিক ও লজ্জাজনক’ আচরণের নিন্দা জানিয়ে আসছি। আমি এখনো অপেক্ষা করছি; আমার মতো শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সু চি রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে একই ধরনের নিন্দা জানাবেন। সু চি’র নিন্দার জন্য বিশ্ব এবং রোহিঙ্গা মুসলিমরা অপেক্ষা করছেন।

 

রাখাইনে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলমান সেনা অভিযানে চারশতাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হয়েছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা সংঘাত-সহিংসতা থেকে বাঁচতে রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *