চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

admin

জাতিসংঘে মিয়ানমার সেনাদের বিচার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশ: ২০১৭-০৯-২৯ ১৭:৫৪:০৫ || আপডেট: ২০১৭-০৯-২৯ ১৭:৫৪:০৫

অনলাইন ডেস্ক:রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ ও জাতিগত নিধন অভিযানের ঘটনায় প্রথমবারের মতো মিয়ানমারের সেনাদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর রয়টার্সের।

 

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হেলি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ আহ্বান জানান।

 

রাখাইনের পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করারও  দাবি জানান তিনি।

 

তবে, বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেয়া বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নতুন করে আরোপ করা হবে কিনা -সে প্রসঙ্গে কিছুই বলেননি হেলি।

 

তিনি বলেন, মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যে নির্মম অভিযান চালাচ্ছে- সে কথা বলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বিধা থাকা উচিত নয়।

 

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে অবশ্যই মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাদের অবশ্যই দায়িত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে এবং অপরাধের জন্য বিচারের আওতায় আনতে হবে।

 

একইসঙ্গে সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করছে- এমন যে কোনো দেশের উচিত, মিয়ানমার পর্যাপ্ত জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নেয়ার আগ পর্যন্ত তা বন্ধ রাখা।

 

উল্লেখ্য, কথিত রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার জবাবে গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

 

তাদের সহিংসতার মুখে নতুন করে এ পর্যন্ত সাড়ে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে জাতিসংঘ।

 

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া না মেলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইডেন, মিশর, সেনেগাল ও কাজাখস্তানের অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদ ওই বৈঠকে বসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *