চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

মিজবাউল হক চকরিয়া অফিস

স্বামীর অপকর্মের ঢাকতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-০৮ ২৩:৩২:১৬ || আপডেট: ২০১৯-০৯-০৮ ২৩:৩২:২৪

চকরিয়া অফিস: চকরিয়ায় সৌদি প্রবাসী স্বামী সজল কান্তি শর্মার নানা অপকর্ম ঢাকতে নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমন কী বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছেন স্বামী। সম্প্রতি স্বামীর অপকর্ম ও খারাপ জীবন সহ্য করতে না পেরে তালাক দিয়েছেন। জানা যায়, চকরিয়া উপজেলার বদরখালী শহরিয়াপাড়ার বাসিন্দা বাবুল চন্দ্র শীলের কন্যা শিউলী রাণী শীলের সাথে ২০১১ সালে ২১নভেম্বর সনাতী ধর্মের বিধানমতে সামজিকভাবে বিবাহ হয় একই উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ মগছড়া জুম নাথপাড়ার মৃত শ্রীধাম রায় শর্মা’র ছেলে সজল কান্তি শর্মা’র। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন ছিলো সুখী ও আনন্দময়। বর্তমানে তাদের সংসারে মিথিলা শর্মা পূজা নামে সাত বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের তিনমাস পর পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে স্বামী সজল সৌদিয়া আরব চলে যান। এরপর শ্বাশুড়ী ও দেবরদের নিয়ে সংসারের হাল ধরেন স্ত্রী শিউলি। শিউলী রাণী শীল জানান, স্বামী চলে যাওয়ার কিছুদিন পর যৌতুকের জন্য শুরু হয় শ্বাশুড়ী ও দেবরের অমানষিক নির্যাতন। তারা প্রতিদিন নানা অজুহাত তুলে নির্যাতন চালাতেন। তাদের শাররীক নির্যাতন ও মারধরের খবর প্রবাসী স্বামী সজলকে জানালে তিনিও উল্টো আমাকে প্রাণনাশে হুমকি ধমকি দেন। একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে আমি বাপের বাড়িতে চলে আসি। গত সাত বছর ধরে বাপের বাড়ি থাকলেও শ্বাশুড় বাড়ির কেউ আমাকে আনতে বা খবর নেননি। গত সাতবছর ধরে আমার স্বামী সৌদিয়া আরবে থাকলেও কোন সুবিধা করতে পারেনি। পরে তিনি দেশে আসার ইচ্ছে পোষণ করলে আমি বাবার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সৌদিয়াতে পাঠানোর পর সম্প্রতি সজল দেশে আসেন। সজল কয়েকদিন ডুলাহাজারাস্থ নিজ বাড়িতে থাকার পর আমার সাথে দেখা করতে বদরখালীস্থ আমার বাড়িতে আসেন। সেখানে সজল প্রতিদিন মদ খয়ে মাতাল অবস্থায় আমার বৃদ্ধ বাবা-মা এবং আত্মীয়স্বজনকে গালিগালাজ করতে থাকে। আমি তার এহেন কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে আবারো যৌতুকের জন্য আমার উপর চাপ সৃষ্টি করে স্বামী সজল। এসময় সে আমাকে মারধর করতে থাকে। নির্যাতনের মাত্রা সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে আমি তাকে ডির্ভোস দিই। এরপর সজল ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় আমার নামে বিদেশ থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অপপ্রচার করতে থাকে। অথচ সজলকে দেশে আনতে আমার বাপের দুই লাখ টাকা খরচ পাঠাতে হয়েছে। বিদেশে টাকা রোজগার করে সজল যেখানে দেশে আসার সামর্থ রাখে না সেখানে তার পাঠানো ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি সর্র্ম্পূন কাল্পনিক এবং ভিত্তিহীন। ডির্ভোস দেওয়ার পর সজল আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি ধমকি দিচ্ছেন বলে তিনি জানান। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা, ভিত্তিহী ও কাল্পনিক অপ্রপ্রচার চালিয়ে আমাকে ও পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *