চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

এম মাঈন উদ্দিন মিরসরাই প্রতিনিধি

জোরারগঞ্জ থানার এএসআই শওকতের বিরুদ্ধে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে দুই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-১৭ ১৭:০১:২৯ || আপডেট: ২০১৯-০৯-১৭ ১৭:০১:৩৭

মিরসরাই প্রতিনিধি :
মিরসরাইয়ে দুই ব্যবসায়ীকে মাদক দিয়ে ছবি তুলে এক লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের এক এএসআই’র বিরুদ্ধে। এবিষয়ে সোমবার (১৬সেপ্টেম্বর) ওই ব্যবসায়ীদের একজন জামশেদ আলম মিরসরাই-জোরারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, গত রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে জোরারগঞ্জ থানাধীন মেহেদীনগর গ্রামের ফয়েজ আহম্মদের ছেলে জামশেদ আলম তার বন্ধু নূর হোসেনসহ উপজেলার শুভব্রীজ এলাকায় একটি ফোন পেয়ে ওয়াহেদুর রহমান সুমন নামে একজনের সাথে দেখা করতে যান। ওই সময় তারা যখন ব্রীজের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তখন জোরারগঞ্জ থানার এএসআই শওকত আলী দুইজন পুলিশ কন্সটেবলকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দেহ তল্লাসী করে। কিন্তু দেহ তল্লাসী করে কিছু পায়নি। পরে এক পুলিশ কন্সটেবল শুভপুর ব্রীজের নীচ থেকে দুইটি ফেন্সিডিল নিয়ে আসে। এরপর হাতকড়া পরিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের থানায় নিয়ে আসে। থানায় এনে ফেন্সিডিল দুইটি সামনে রেখে ছবি তুলে মামলার ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করে এএসআই শকওত আলী। পরে তারা এক লাখ টাকা দেবে বলে রাজি হয়। এসময় জামশেদ ও নূর হোসেনের পকেটে ৬৫ হাজার টাকা ছিল। পরে বন্ধুদের কাছে থেকে ধার নিয়ে ও ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে তুলে এক লাখ টাকা এএসআই শওকত আলীকে দিয়ে তারা ছাড়া পান।
এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার এএসআই শওকত আলী জানান, ‘জামশেদ আলম ও নুর হোসেন নামে দুইজনকে বেশি রাতে শুভপুর ব্রিজ এলাকায় ঘুরতে দেখে থানায় নিয়ে আসি। এরপর ওসি স্যারের সাথে কথা বলে আবার তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। এজন্য কোন টাকা পয়সা লেনদেন হয়নি। আমাকে হয়রানি করতে তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন’।
মিরসরাই-জোরারগঞ্জ থানা সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার সামছুউদ্দিন মো. ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী জানান,অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।তার সাজা অবশ্যই হবে।যাতে করে আগামীতে সাধারন মানুষকে আর হয়রানি করতে না পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *