চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

admin

কে হবে নেতা, তার চেয়ে বড় কথা নেতৃত্ব কেমন হবে : পরশ

প্রকাশ: ২০২২-০৫-২৮ ১৯:২৭:৪৬ || আপডেট: ২০২২-০৫-২৮ ১৯:২৭:৪৯

পটিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি|
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। যোগ্য নেতৃত্বের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। আর এই যোগ্য নেতৃত্ব দিচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একই সাথে মনে রাখতে হবে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতার উৎস ছিল ক্যান্টনমেন্ট।

আগামী নির্বাচনে সবাইকে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে মেধাসম্পন্ন সুদৃঢ় নেতৃত্ব দরকার। কে হবে নেতা, তার চেয়ে বড় কথা নেতৃত্ব কেমন হবে? পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য যোগ্য নেতৃত্ব দরকার।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন পরবর্তী প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগের চেয়্যারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি-জামায়াত অসন্তুষ্ট। পদ্মা সেতু আজ তৈরি হয়েছে। লোন নিয়ে নয়, নিজ অর্থে এই সেতু করা হয়েছে। যুবলীগ যদি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের গল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যায়, তাহলে বিএনপি-জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না। চট্টগ্রামের মাটি কখনও মিথ্যাচার, অন্যায় অবিচারকে প্রশ্রয় দেয়নি। সম্মেলনে দেশপ্রেমিক কর্মীবান্ধব জনদরদী নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। আপনারা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন, যে নেতৃত্ব সৎ ও মানবিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে।

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, আজ সম্মেলনে এসে আমার একসাথে অনেকগুলো অনুভূতি কাজ করছে। প্রীতিলতা, মাস্টার দা সূর্যসেনসহ অনেক জ্ঞানী গুণীর জন্ম এ চট্টগ্রামে। সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও পিছিয়ে নেই চট্টগ্রাম। জনপ্রিয় ব্যান্ড রেনেসাঁ, সোলস, এলআরবিসহ অনেক ভাল ব্যান্ডের জন্ম এ চট্টগ্রামে। চট্টগ্রামের বিপ্লবী ঐতিহ্য রয়েছে। এ মাটি বিপ্লবী মাটি। আজকের সম্মেলন ঐতিহাসিক সম্মেলন।এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন সূচনা তৈরি হবে। আপনারা প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেন এমন ব্যক্তিকে নির্বাচন করুন। আমাদের লক্ষ্য এ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাকে আওয়ামী লীগের ঘাটিতে রূপান্তর করা।

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখা দরকার রাজনীতির সাথে নীতি কথাটা যুক্ত আছে। নীতি নৈতিকতার চর্চা থাকতে হবে। আগে রাজনীতিবিদরা নৈতিকতার চর্চা করতেন। বঙ্গবন্ধুর এক কথায় ৩০ লাখ মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো কাউকে ভয় পায় না। তাই আমি বিশ্বাস করি যুবলীগের সহযোগিতায় আগামীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচিত হবেন। কারণ সৎ নেতৃত্ব পরিচালনার বিকল্প নাই। সঠিক নেতৃত্ব না থাকলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে না।

মঞ্চে উপস্থিত আছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.মাইনুল হোসেন খান নিখিল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য মো.নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ ও আলহাজ শামসুল হক চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সাইফুর রহমান সোহাগ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মীর মো. মহিউদ্দীন, উপ ক্রীড়া সম্পাদক মো.আব্দুর রহমান, সহ-সম্পাদক মো.নাসির উদ্দীন মিন্টু ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *