চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২

Alauddin Lohagara

চকরিয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধরে এক গৃহবধু আত্মহত্যা

প্রকাশ: ২০১৮-০২-১৬ ২৩:৫০:৫২ || আপডেট: ২০১৮-০২-১৬ ২৩:৫০:৫২

চকরিয়া অফিস:

চকরিয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধরে এক গৃহবধু আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার সকাল দশটায় উপজেলার ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া ধুপীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া ধুপীপাড়ার বাসিন্দা সোহাগ দাশের পুত্র টিপু দাশ একই এলাকার শুক্কুর বড়–য়ার কন্যা কান্তা বড়–য়ার (১৯) মধ্যে বিয়ে হয়। তারা ভিন্ন ধর্মের হলেও প্রেম করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করছিলো।

 

১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল দশটায় তার কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে কান্তাকে ডাকতে থাকে স্বামী টিপু। তার সাঁড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ফেলে। এসময় ঘরের ছালার মধ্যে কান্তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার করে তার স্বামী। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া জমজম হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন কান্তাকে। হাসপাতাল থেকে কান্তাকে শ্বাশুর বাড়িতে নিয়ে আসে।

বিকাল ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের বাধার মুখে লাশ সৎকার না করে নিয়ে আসে থানায়।

কান্তা আত্মহত্যা করেনি শ্বাশুর বাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফেলেছে অভিযোগ করেন। লাশটি সৎকারের জন্য শ্বাশুর বাড়ির লোকজন তড়িগড়ি করলেও পরে পুলিশের উপস্থিতি দেখে পালিয়ে গেছেন।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য অনিমেষ দাশ বলেন, টিপু দাশ চকরিয়া পৌরশহরে একটি জুয়েলারী দোকানে চাকুরী করতো। গত ৮-৯ মাস পূর্বে টিপু দাশ আর কান্তা বড়–য়ার মধ্যে প্রেমের স¤পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তী সময়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে। তারা দুই ধর্মের হওয়ায় বিয়েতে অমত ছিলো কান্তা বড়–য়ার পরিবারের। বিয়ে নিয়ে অমত হলেও পরে উভয় পরিবার মেনে নেয়। কিন্তু কী কারণে আত্মহত্যা করেছে তা জানি না।

 

চকরিয়া থানার এসআই সুকান্ত চৌধুরী জানান, বিয়ের পর তাদের মধ্যে বিরোধ ছিলো। আত্মহত্যা করা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে কান্তার পরিবারের মধ্যে। এজন্য লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *