চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

শংকর চৌধুরী খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি

একুশ বছরেও বিচার মিলেনি ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকান্ডের

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-০৯ ১৮:৩৪:৪৭ || আপডেট: ২০১৮-০৯-০৯ ১৮:৩৪:৪৭

খাগড়াছড়ি,প্রতিনিধি॥

রাঙামাটি জেলায় লংগদু’র পাকুয়াখালীতে ৩৫ জন কাঠুরিয়া কে নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বর এলাকায়  পার্বত্য অধিকার ফোরাম ও ছাত্র সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০ টায় চেঙ্গী  স্কায়ার হতে শাপলা চত্ত্বর পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি । মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি  মো: মাঈন উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর এস এম মাসুম রানা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো: মহিউদ্দীন, পার্বত্য অধিকার ফোরামের মাটিরাঙা উপজেলা উপজেলা আহবায়ক মো: এস এম হেলাল ও দীঘিনালা উপজেলা আহবায়ক আহাম্মদ আলী।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক মো: রবিউল হোসেন, সদস্য সচিব মো: পারভেজ আলম, সদস্য মো: সাদ্দাম হোসেন, খাগড়াছড়ি কলেজ শাখার আহবায়ক মো: ইব্রাহিম খলিল, যুগ্ন আহবায়ক মো: রণি, টেকনিক্যাল কলেজ শাখা সভাপতি মো: সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, দীঘিনালা উপজেলা শাখার সভাপতি মো: আলামিন হোসেন ও সা. সম্পাদক মনসুর আলম হীরা, মাটিরাঙা উপজেলা আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জু,সদস্য সচিব মো: আরিফুর রহমান স্বজল, বুয়াছড়ি ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক মো: সালাম, মো: মনির ও মূছাসহ উপজেলা এবং ইউনিয়ন শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন,  ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে রাঙামাটি জেলার পাকুয়াখালী নামক স্থানে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যাকরা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ২১ বছর পরও এই বর্বরতম হত্যাকান্ডের কোন বিচার হয়নি। অবিলম্বের পাকুয়াখালিতে সংগঠিত হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করে  ১৯৯৬ সালের পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকান্ডসহ পার্বত্যঞ্চলে সকল হত্যাকান্ড গুলোর বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন,

পার্বত্য চট্টগ্রামে হত্যাকান্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের রাষ্ট্রিয় স্বীকৃতি দিয়ে সৃতি ফলক নির্মান, তাদের পরিবারকে ক্ষতপূরণ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পূর্বে ও পরে সন্ত্রাসীদের অত্যাচারের এবং নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখীয়ে যে সকল বাঙালি পরিবার গুলোকে তাদের জায়গা হতে উচ্ছেদ করা হয়েছে, সকল পরিবার গুলোকে পূর্নবাসন বা পূর্নবহাল করাসহ চার দফা দাবি জানান বক্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *