চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯

প্রদীপ শীল রাউজান প্রতিনিধি

“২৫ মার্চের নারকীয় তা-বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এখন সময়ের দাবি”- চুয়েট ভিসি

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-২৬ ২০:২০:১৫ || আপডেট: ২০১৯-০৩-২৬ ২০:২০:১৫

প্রদীপ শীল, রাউজান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালায় ৪৮তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। ২৬ মার্চ (মঙ্গলবার সকালে চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচীর সূচনা করেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এ সময় চুয়েটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে চুয়েটের শহীদ দুই শিক্ষার্থীর কবর জেয়ারতের পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। মানবিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান ও প্রভাষক জানাবা নাহিদা সুলতানার যৌথ সঞ্চালনায় এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফীন, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ মোহাম্দ তারেক হুদা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রশীদ, স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহম্মদ, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জি.এম. সাদিকুল ইসলাম, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ জামাল উদ্দীন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষে মো. শাকিল, রাফসান জানি রিসান, সাজিদ উদ্দিন আহমেদ ও ফরহাদ শাহি আফিন্দি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে নিরস্ত্র বাঙালির উপর বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকা- চালিয়েছিল তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এখন সময় এসেছে পাকিস্তানিদের নারকীয় বর্বরতার মুখোশ বিশ্ব দরবারে উম্মোচন করার। তাই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণার জোর দাবি জানাচ্ছি। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরা চাই কুটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে দ্রুত এই স্বীকৃতি আদায় করা হোক। যাতে সারাবিশ্বের শান্তিকামী মানুষ সারাজীবন তাদের ঘৃণা করতে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *