চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

জাহেদুল হক আনোয়ারা প্রতিনিধি

আনোয়ারায় নির্মাণ সামগ্রীর দখলে সড়ক,চরম ভোগান্তি

প্রকাশ: ২০১৯-১০-১২ ২৩:২৪:৫৬ || আপডেট: ২০১৯-১০-১২ ২৩:২৫:০৩


জাহেদুল হক,আনোয়ারা :
আনোয়ারা উপজেলার বটতলী মোহছেন আউলিয়া সড়কের ওপর ফেলে রাখা হচ্ছে নির্মাণ সামগ্রী। কোথাও কোথাও সড়ক দখল করেই চলছে নির্মাণ কাজ। এতে সংকুচিত হয়ে উঠছে সড়কটি। সৃষ্টি হচ্ছে যানজট,অহরহই ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা বলছেন,সড়কে যত্রতত্রভাবে বালু,সিমেন্ট ও কংক্রীটের মতো নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। একটু রোদ হলেই নির্মাণ সামগ্রী থেকে ধুলো উড়ছে সর্বত্র। পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে।

জানা গেছে,সড়কের আইরমঙ্গল সেতুর পূর্ব পাশে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। এটির নির্মাণ কাজ ঘিরে গত এক মাস ধরে সড়ক ও সেতুর দুপাশে ফেলে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। একটু বাতাস বইলেই ধুলো-বালুর নিচে ঢাকা পড়ছে চারপাশ। তবে নির্মিতব্য ভবনটির মালিক প্রবাসী ছৈয়দুল হক বলছেন,সড়কে কাজ করলেও যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছেনা।
এছাড়া বটতলী রুস্তমহাটের পল্লী বিদ্যুতের সাব ষ্টেশন থেকে প্রায় ৩০০ মিটার সড়কের দুপাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে বেচাকেনা করছে ব্যবসায়ীরা। অনেক সময় সড়কের ওপর মেশিন বসিয়ে কংকর ভাঙ্গা হয়। সড়কের যত্রতত্র রাখা হয় গাছের বল্লি,রড,ইট,বালি-খোয়ার স্তুপ। এতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি ম্লান হচ্ছে সৌন্দর্য। আর ছোট-খাটো দুর্ঘটনা তো এখন নিত্যদিনের সঙ্গী।

সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কের অর্ধেকের বেশি জায়গা দখল করে নির্মাণ সামগ্রী রেখে ভবন গড়ে তোলার কাজ চলছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতি মিনিটে ৮-১০টি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ কারণে যানজট ও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। সড়কের ওপর এভাবে কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সড়কের ওপর নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখায় ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন নির্মাণ কাজের শ্রমিকরাও। তারা বলছেন,সড়কে নির্মাণ সামগ্রী নিতে গিয়ে প্রায়ই রিকশা-অটোরিকশার ধাক্কা খাচ্ছেন শ্রমিকরা। আর এলাকাবাসী বলছেন, কোনো কোনো স্থানে মাসের পর মাস পড়ে থাকছে নির্মাণ সামগ্রী। কম- বেশি গোটা সড়কের একই চিত্র।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন,সড়ক দখল করে কোনো ধরনের কাজ করার নিয়ম নেই। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *