চট্টগ্রাম, , শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

রফিকুল আলম ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও সাংবাদিকদের প্রণোদনা দেয়ার দাবি নজিবুল বশর এমপির

প্রকাশ: ২০২০-০৪-২২ ১২:২৩:২৯ || আপডেট: ২০২০-০৪-২২ ১২:২৩:৩৩

রফিকুল আলম, ফটিকছড়ী প্রতিনিধি:

দেশের সকল ইমাম-মুয়াজ্জিন ও সাংবাদিকদের প্রণোদনা দেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি। একই সাথে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া থাকা তিন মাসের বেতন-ভাতাও অতিদ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে করোনা পরিস্থিতি ও ত্রাণ সমন্বয় নিয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ জরুরী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। ফটিকছড়ির ইউএনও মোঃ সায়েদুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, ভাইস চেয়ারম্যান ছালামত উল্লাহ চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন নাহার মুক্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জানে আলম, ফটিকছড়ি পৌর মেয়র মোঃ ইসমাইল হোসেন, নাজিরহাট পৌর মেয়র এসএম সিরাজুদ্দৌল্লাহ, ফটিকছড়ি থানার ওসি মোঃ বাবুল আক্তার, ভূজপুর থানার ওসি শেখ আব্দুল্লাহসহ উপজেলা পর্যায়ের সকল অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, দেশের সকল ইমাম-মোয়াজ্জিন এবং সাংবাদিকগণ; বিশেষ করে- মফস্বল পর্যায়ের সাংবাদিকরা বড় কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। তারা বলতেও পারছে না আবার সইতেও পারছে না। অথচ তারাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমগ্র দেশের খবরা-খবর জাতির কাছে তুলে ধরছেন। কিন্তু তাদের জন্য কোন প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, করোনায় কেউ মারা গেলে দাফন করার কোন ব্যবস্থা উপজেলা পর্যায়ে নেই। কারণ- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপজেলা পর্যায়ের যে সকল লোকবল রয়েছে; তারা কেউ চাকরিস্থলে যাচ্ছে না। তারা আমাকে জানিয়েছেন, তাদের তিন মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার ও আমার দল তরিকত ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছি- দেশের সকল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হোক এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতাও অতিদ্রুত পরিশোধ করা হোক। পরে তিনি সকলকে নিয়ে নাজিরহাট পৌর এলাকাস্থ ঝংকার মোড়ের উত্তর পাশে ডাক্তার-নার্স, সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের জন্য সদ্য প্রস্তুতকৃত পৃথক আইসোলেশন এবং কোয়ারেন্টাইন সেন্টার; অর্থাৎ মাউন্ট রয়েল হোটেল ও হৃদয় আবাসিক হোটেল এবং নাজিরহাট নতুন ব্রিজ এলাকায় স্থাপিত পুলিশ চেকপোস্ট সরেজমিন পরিদর্শন করেন। ইতোপূর্বে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি এবং নাজিরহাট-মাইজভান্ডার সড়কের মধ্যখানে ‘মাদ্রাসায় গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী’কে আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *