চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

admin

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সুফিয়া কামাল ছিলেন প্রতিবাদী কণ্ঠ

প্রকাশ: ২০১৭-১১-২০ ২২:১২:৪৯ || আপডেট: ২০১৭-১১-২০ ২২:১২:৪৯

বীর কন্ঠ ডেস্ক:

সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বেগম সুফিয়া কামাল ছিলেন এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। ধর্মান্ধ, মৌলবাদীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের সোচ্চার কন্ঠ ও সফল সংগঠক ছিলেন তিনি। আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় মহিলা পরিষদের উদ্যোগে বেগম সুফিয়া কামালের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও আলোচনাসভায় বক্তারা এ কথা বলেন।‘মানবতার সংকট এবং নারী ও শিশুর প্রতি অব্যাহত সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলি’ এই স্লোগান নিয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  অনুষ্ঠানের শুরুতে সুফিয়া কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।  

 

বক্তারা বলেন, বেগম সুফিয়া কামাল শুধু কবিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের নারী জাগরণের সংগঠক। ছিলেন মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের, সামাজিক আন্দোলনের, সাং¯কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা।সকলকে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে রুখে দাঁড়িয়ে সকল ধর্মান্ধতা ও সমগ্র অপশক্তি থেকে বের হয়ে সুফিয়া কামালের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান তারা।

মহিলা পরিষদের সভাপ্রধান আয়েশা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম, সংসদ সদস্য হাজেরা সুলতানা, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার, নাগরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রিপ ট্রাস্ট এর নির্বাহী পরিচালক অ্যারোমা দত্ত, অ্যাডাবের পরিচালক জসিমউদ্দিন প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।   এসময় বেগম সুফিয়া কামালের কন্যা সাইদা কামাল ও সুলতানা কামালসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।  আয়শা খানম বলেন,সুফিয়া কামালের নারী আন্দোলনের সংগ্রাম অনেকটাই সফল হয়েছে। দেশের তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নারীরা মেধা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে পুরুষের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে।  

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ১৯৮০ সালে থেকে নারী বিষয়ক সকল আইনের খসড়া থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করছে কিন্তু নারীদের নিয়ে মুক্ত আলোচনা করার জন্য সংসদীয় কমিটিতে তাদের রাখা হয় না। কাজেই সেখানে সংসদীয় কমিটিতে নারীদের জন্য ককাস হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অ্যারোমা দত্ত বলেন, সুফিয়া কামাল চেয়েছিলেন অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, নির্যাতনমুক্ত এবং ন্যায় ভিত্তিক একটি বাংলাদেশ। যেখানে নারী ও পুরুষের কোন ভেদাভেদ থাকবে না। তারা দেশের উন্নয়নে পারস্পরিকভাবে কাজ করে যাবে। –কালের কণ্ঠ অনলাইন 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *