চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

admin

কাল থেকে কক্সবাজারে তিনদিনের জেলা ইজতেমা শুরু

প্রকাশ: ২০১৭-১২-০৬ ১৮:০১:২৭ || আপডেট: ২০১৭-১২-০৬ ১৮:০১:২৭

বীর কন্ঠ ডেস্ক:

তাবলীগ জামাতের আয়োজনে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা। বৃহস্পতিবার ৭ ডিসেম্বর ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে।

এবার কক্সবাজার সমূদ্র সৈকতের ডায়বেটিক পয়েন্টে ইজতেমা উপলক্ষে সব ধরণের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। এ উপলক্ষ্যে ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

তাবলীগ জামাতের সাথে জড়িতরা বলেন, প্রত্যেক বছর দেশের ৬৪ জেলার মানুষ বিশ^ ইজতেমা পালন করতে ঢাকায় যান। বর্তমানে বিশ^ ইজতেমাকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়া হয়েছে।

তারা আরও জানান, বিশ^ ইজতেমায় ৩২ জেলার মানুষ ২ পর্বে অংশ গ্রহণ করবেন এবং বাকি ৩২ জেলার মানুষ নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করার অনুমতি দিয়েছেন মুরব্বিরা। তারই অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজারে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন জানান, আগামী ৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে যে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিয়মিত টহল দিবে পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দারা।

তাবলীগ জামাতের আয়োজনে কক্সবাজার জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে তিনদিনের মিনি ‘ইজতেমা’। জেলাভিত্তিক এই ইজতেমা আগামীকাল ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকে ১ম বয়ান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ উপলক্ষে কক্সবাজার শহরের জেলা পার্ক সংলগ্ন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের পাশে এই আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকদের আশা, এবারের ইজতেমায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ উপস্থিত হবেন। তবে ২ লাখ মানুষের বসার আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। ইজতেমায় মুসল্লিদের বয়ান দেবেন ঢাকা কাকরাইলের তাবলীগ জামাতের হুজুররা। ইজতেমার কর্মসূচি অনুযায়ী ৭ ডিসেম্বর ফজরের নামাজের পর থেকে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনদিনের ইজতেমায় কক্সবাজার জেলার আট উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলীগে থাকা বিভিন্ন দেশের মানুষ উপস্থিত থাকবেন। আয়োজকরা বলেন, ‘ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য হলো তাবলীগে যাওয়ার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।’ এবারের ইজতেমার পর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাবলীগের চিল্লায় যাবেন বলেও তারা আশা করছেন। জানা গেছে, ইজতেমায় ৬০০ টয়লেট, ১০০০ প্রসাব করার জায়গা, ২৫টি মোটর, ১০০টি টিউবওয়েল বসানো হয়েছে। আয়োজকরা জানান, তিন দিনের ইজতেমায় কক্সবাজার জেলার আট উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলীগে থাকা বিভিন্ন দেশের মানুষ উপস্থিত থাকবেন। কক্সবাজার জেলা ইজতেমায় মানুষের খেদমত করার জন্য ১২টি জামাতে ভাগ করা হয়েছে। ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য হলো তাবলীগে যাওয়ার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। এবারের ইজতেমার পর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাবলীগে যাবে বলে ধারণা করছে আয়োজকরা। মাঠের জিম্মাদার মাওলানা আতাউর করিম দৈনিক হিমছড়িকে জানান, ইজতেমায় ৬০০ টয়লেট, ১০০০ প্রশাব করার জায়গা, ২৫ টি মটর, ১০০টি টিউবয়েল বসানো হয়েছে। প্রত্যেক নামাজের পর বয়ান দিবে এবং ইজতেমার তৃতীয় দিন জুহুরের নামাজের আগে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমার শেষ হবে। গতকাল বিকেলে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, জেলা ও ঢাকা থেকে আগত প্রচুর পরিমান মুসল্লি ইজতেমার মাঠ তৈরীর উপযোগী করতে কাজ করছে। ইতিমধ্যে টয়লেট, প্যান্ডেল ও পানী নিস্কাশনের কাজ প্রায় ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মরত মুসল্লিরা। তবে তাদের অভিযোগ এবারেই পানি সমাস্যা একটু বেশী দেখা দিবে। এদিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা। মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তায় বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন দায়িত্ব পালন করবেন।- কক্সবাজার আলো :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *