admin
প্রকাশ: ২০১৭-১২-১০ ০০:৪৫:১৬ || আপডেট: ২০১৭-১২-১০ ০০:৪৫:১৬

মোহাম্মদ ইলিয়াছ:
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি পানত্রিশা এলাকার আমিনুল হকের পেশা ছিল দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করা। বিগত প্রায় দশ বছর ধরে তিনি ভিক্ষা করে জীবন চালাতেন। ৬৩ বছর বয়সী এ ভিক্ষুক এখন আর ভিক্ষা করেন না।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুপ্রেরণায় তিনি ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়েছেন। ইউএনও তাকে পান-সুপারি সমেত কাঠের একটি বক্সসহ পানের দোকানের ব্যবস্থা করে দেন। সম্প্রতি তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে এই দোকান দেয়া হয়। যেদিন তাকে পান-সুপারির দোকানের ব্যবস্থা করে দেয়া হয় সেদিনই তিনি বিক্রি শুরু করে দেন। পানের দোকান করে তিনি দৈনিক ৪-৫ শ’ টাকা আয় করেন।
আমিনুল হক জানান, এতদিন ভিক্ষা করে তিনি ভুল করেছেন। ইউএনও তাকে ভিক্ষাবৃত্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের দেয়া ক্ষুদ্র ব্যবসা করে তিনি আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন।
ইউএনও অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্ট মাস থেকে উপজেলা প্রশাসন এলাকার ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছে। ভিক্ষুকদের ইচ্ছা ও পছন্দানুযায়ী ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসা। তাদের অলস হাত কর্মির হাতে রূপান্তরিত হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব আলম জানান, শুধু আমিনুল হক নয়, উপজেলার অন্যান্য ভিক্ষুকদেরকেও ক্ষুদ্র ব্যবসা দিয়ে স্বাবলম্বী করা হচ্ছে। ভিক্ষাবৃত্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে স্বল্প পুঁজিতে এসব ভিক্ষুকের অলসের হাত কর্মীর হাতে রূপান্তর করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।