Alauddin Lohagara
প্রকাশ: ২০১৮-০১-১৬ ১৬:২৯:১৫ || আপডেট: ২০১৮-০১-১৬ ১৬:২৯:১৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চন্দনাইশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পিছিয়ে পড়া একটি ইউনিয়ন ধোপাছড়ি। রাঙুনিয়া ও বান্দরবানের পাহাড়সমৃদ্ধ সীমান্তে ঘেষেই ধোপাছড়ির অবস্থান । সৌন্দর্য্য যাই থাকুক সেকেলে নদীর নৌপথ মাড়িয়ে কিংবা গাড়িযোগে খুড়িয়ে খুড়িয়েই যেতে হই ধোপাছড়ি। তাই আর্থসামাজিক ও শিক্ষায় পিছিয়ে পড়াটা নিছক ভাগ্য এদের। পাহাড়ি ও শঙ্খের সৌন্দর্য্য তাই কেউ দেখতে ও পথ মাড়িয়ে যান না। কৃষি জমিতে হাল চালানোই এদের প্রধান জীবিকা। তাই চন্দনাইশের এই সুন্দর জনপদকে সবার সম্মুখে উপস্থাপন করা ও আর্থ সামাজিক বিশেষ করে শিক্ষায় এগিয়ে নিতে চন্দনাইশ ছাত্র ঐক্যের এই ট্রাবেলিং প্রোগ্রাম । উদ্দেশ্য একটাই- ব্র্যান্ডিং ধোপাছড়ি। ধোপাছড়ির উন্নয়ন মানেই তো চন্দনাইশের উন্নয়ন। যার সাথে জুড়ে আছে সমগ্র বাংলাদেশ।
চন্দনাইশ ছাত্র ঐক্যের এই যাত্রাকালিন প্রোগ্রামের সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। চন্দনাইশ ছাত্র ঐক্যের স্কুল ভিত্তিক খন্ডিত কিছু কাজে সাথী হয়েছিলেন এই নেতা। আইসিটি কর্মশালা, কুইজ সহ নানা আয়োজনে মেতেছে স্থানীয় স্কুল শিক্ষার্থীরা, পেয়েছে পুরস্কার।
ধোপাছড়ির মত পিছিয়ে পড়া জনপদে এমন আয়োজনে খুশিতে আত্মহারা স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। “বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন হতে হবে তৃণমূল থেকেই। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল যেন দেশের অর্থনীতির সাথে একত্রিত হতে পারে এটাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য আর যার জন্যই পদ্মা সেতু আজ রূপ পাচ্ছে বলে অভিমত দেন মফিজুর রহমান। “
চন্দনাইশের তৃণমূলের উন্নয়নে কাজ করা চন্দনাইশ ছাত্র ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বলেনঃ চন্দনাইশের অন্য ইউনিয়ন থেকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে ধোপাছড়ি। দীর্ঘদিন যাবত চন্দনাইশ খানহাট-ধোপাছড়ি হয়ে বান্দরবানের রাস্থাটা এখনো আলোর মুখ দেখছে না। “এই সড়কটাই ধোপাছড়িকে বদলে দিবে ” বলে অভিমত দেন পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা সংঘটনের সাংগঠনিক সম্পাদক তানিম।
সংঘটনের প্রধান কোর্ডিনেটর আদিল কবির বলেনঃ সিসিও’র নানামুখি আয়োজন এর উদ্দ্যেশই হচ্ছে চন্দনাইশ তথা পুরো দেশের উন্নয়ন। আমরা তৃণমূল চন্দনাইশে এক পরিবর্তনের আভা তৈয়ার করতে চাচ্ছি।