Alauddin Lohagara
প্রকাশ: ২০১৮-০১-২৬ ১২:৫৪:০৪ || আপডেট: ২০১৮-০১-২৬ ১২:৫৪:০৪

সাজ্জাদ হোছাইন:
ঐতিহাসিক ঘৌডদৌড সভা। আগামী২৭ও২৮ জানুয়ারি । দক্ষিনচট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছডী গ্রাম।যেখানে আজ ১৭ শতকে উপমহাদেশথেকে ইসলাম প্রচার করতে সুখছড়ী গ্রামে এসে বসতি গডেছিলেন বংশ পরষ্পরায় ৪৩তম আওলাদে রাসুলসৈয়দ মাওলানা মুতীউল্লাহ (রহঃ)। তারই সুযোগ্য সন্তান জনাবমাওলানা মফজ্জুলুর রহমান যার জম্ন ১৮১৪সাল । ছাত্রজীবন কেটেছে কলকাতায় যেখানে তিনি গ্রহন করেছিলেন আরবী বিষয়ে উচ্চশিক্ষা । তিনি হলেন কলকাতাআলীয়া মাদ্রাসার থেকে পুরো ভারত উপমহাদেশে ফাষ্টক্লাস ফাষ্টপাওয়া ছাত্র ।যার জন্য তিনিপেয়েছিলেন তৎকালীন ৫০টাকার সর্বোচ্চ স্কলারশীপ ।শিক্ষাজীবন শেষে তিনি কলকাতার হুগলী মাদ্রাসায় ৩০ বছর শিক্ষকতা করেন।
এরপর ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি চলে আসেন তার নিজগ্রাম সুখছডীতে । ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি এই অঞ্চলের প্রতিটি গ্রাম কিংবা শহরে যান
যেখানে তিনি লক্ষ্য করেন এই অঞ্চলের মুসলমানদের বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি । তার জীবনী থেকে জানাযায় ,এই অঞ্চলের মুসলমানরা হিন্দুদের সূর্য পুজার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্ত ।সূর্য পুজাকে ঘিরে মুসলমানদের যে বিজাতীয় সাংস্কৃতিক মনোভাব সেখান থেকে তাদের ফেরাতে ১৮৯৬ সালে তিনি প্রবর্তন করেন এইঐতিহাসিক ঘৌডদৌড় সভা ।
যা এই দক্ষিন চট্টগ্রাম তথা সাধারন মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক আলোডন সৃষ্টি করে ।সাধারন মুসলমানরা হিন্দুদের সূর্য পুজায় যাওয়া বন্দ করে দেয় এবং এই ঘৌড়দৌড সভাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে তাদের সংস্কৃতি ।আলেমরা এটাকে ইসলামী সংস্কৃতি হিসাবে গ্রহন করেন ।
তারজীবদ্দশায় প্রায় ১৮বছর তিনি আপ্রান চেষ্টা করে গেছেন এই সভাকে প্রতিষ্টিত করতে । ১২০বছর পর এসে এই সভা কেমনচলছে ?জিঙ্গেস করেছিলামবড়মাওলানার বংশধর এবং সভা পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য ,মাওলানা মাফজ্জুলুর রহমান এর জীবন সংকলন এক এর রচিয়তাজনাব অধ্যপক আরিফ মাইনুদ্দীন এর কাছে ,তিনি জানান আগেরতুলনায় আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তবে এইঅঞ্চলের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা এটা সুন্দরভাবে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারব ।
তিনি আরো জানান ,এই সভার প্রচার এবং প্রসার ঘটেছে ।বিভিন্ন অঞ্চলে এটা হচ্ছে যা হুজুরের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপায়ন করে চলেছে । ১২২বছরে পা দেওয়া এ সভা ক্রমশ সর্কীর্ন হচ্ছে বলে অভিমত অবিজ্ঞজনের । উল্লেখ্য যে মাওলানা মাফজ্জুলুর রহমান১০০বছর বয়সে ১৯১৪ সালে ইন্তেকাল করেন । টীকাঃ এখানে আঞ্চলিকতা বুঝাতে সভা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে ।যার শুদ্ধ রুপ হবে হবে মেলা
সাজ্জাদ হোছাইন
– অনলাইন এক্টিভিষ্ট