চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

Alauddin Lohagara

ঘনীভূত সংকটের মুখে বিবৃতি দিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ২০১৮-০২-০৪ ২০:২৬:৪৩ || আপডেট: ২০১৮-০২-০৪ ২০:২৬:৪৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মালদ্বীপের সব নাগরিককে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বর্তমান সংকটে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন। রবিবার তার দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন না করায় প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন-এর অভিশংসনের গুঞ্জন ওঠে। বিরোধীরা দাবি করছিলো, প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে দেশকে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। গুঞ্জন উঠেছিল, তিনি অভিশংসিত হতে যাচ্ছেন। এক পর্যায়ে বিরোধী জোট শীর্ষ আইন কর্মকর্তা এবং প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা  জানিয়েছে, এর কিছুক্ষণের মধ্যে সেনাবাহিনীপার্লামেন্ট  ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিলগালা করে দেয়।  এর অল্প কিছু সময় পরে প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়।

 

বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট পদটিকে  মালদ্বীপের শীর্ষ পদ  উল্লেখ করে ইয়ামিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও মালদ্বীপের নাগরিকদেরকে তার ওপর ভরসা রাখার আহ্বান জানান। সে সময় তিনি আশ্বস্ত করেন, আইন অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ঝিনহুয়ার খবরে ওই বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, নিজের ও বিরোধীদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার জন্য তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে আনতে প্রস্তুত রয়েছেন । ইয়ামিন আরও উল্লেখ করেন, তার প্রশাসন এখন রায়গুলো সঠিক নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করছেন।

 

প্রেসিডেন্ট বলেন, মালদ্বীপ ও তার জনগণের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার প্রথম অগ্রাধিকার।

 

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তিন দিন আগে সুপ্রিম কোর্ট বিরোধী ৯ নেতার বিরুদ্ধে আনা সরকারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে মুক্তির নির্দেশ দেয়। কিন্তু সরকার তাতে মোটেও কর্ণপাত করেনি। মালদ্বীপের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে অভিশংসনের শঙ্কায় পড়েন সে দেশের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আদেশে গত বছর বরখাস্ত হওয়া বিরোধীদের দলের ১২ সংসদ সদস্যকেও পুনর্বহাল করা হয়। ফলে ৮৫ আসন নিয়ে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায় বিরোধী দল। দেশব্যাপী সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হলে গুঞ্জন ওঠে অভিশংসিত হতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করে গ্রেফতার করা হতে পারে বলেও গুজব ছড়ায়।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *