চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

Alauddin Lohagara

কক্সবাজারে গ্রেপ্তার আতংকে বিএনপির নেতা কর্মীরা ঘরছাড়া

প্রকাশ: ২০১৮-০২-০৭ ১৩:১৬:০৭ || আপডেট: ২০১৮-০২-০৭ ১৩:১৬:০৭

নিউজ ডেস্ক-  :

কক্সবাজার  আত্মগোপনে চলে গেছে বিএনপির নেতা কর্মীরা। গ্রেপ্তার আতংকে গত কদিন ধরে নেতা কর্মীরা ঘরছাড়া। পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর ভয়ে বলতে গেলে পুরো কক্সবাজার শহর নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়েছে। আর যে কোন ধরনের নাশকতা এড়াতে প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছে, সিনিয়র নেতাদের টার্গেট করে পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। বেগম জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্রকরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে। আর প্রশাসন বলছে সাধারণ মানুষের যানমালের ক্ষতি বা সহিংসতা বরদাস্ত করা হবে না। রাজনৈতিক কর্মসূচীর নামে কেউ সাধারন মানুষকে হয়রানী করবে তা কখনো মেনে নেবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুুলিশ সুত্রে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারীকে ঘিরে কক্সবাজার জেলার ৮ উপজেলা প্রশাসনে ব্যাপক প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জেলা সদরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে প্রশাসন। ৮ ফেব্রুয়ারী সারাদিন পর্যটন শহরজুড়ে পূর্ন নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। এদিকে রায়ে বেগম জিয়ার সাজা দেওয়া হতে পারে এমন আশংকায় অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপিতেও। সাজা হলে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের সর্বাত্মক আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীরা। রাজপথে তাৎক্ষণিক বড় মাত্রায় প্রতিক্রিয়া দেখানোর পাশাপাশি স্বেচ্ছায় কারাবরণ, হরতাল-অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে দলটির মধ্যে চলছে আলোচনা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপি’র সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসের আন্দোলন করে না। দেশে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রকৃত গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চলছে। এতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো করা হয়েছে যার সবকটিই রাজনৈতিক। মুলত বিএনপিকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতেই মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্দেশ মোতাবেক কর্মসূচী পালন করবে।

এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান জানান, আদালতের রায় যাই হোক না কেন কাউকে অহেতুক অরাজকতা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। রায়কে নিয়ে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। ৮ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলার সকল উপজেলা ও পৌর এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সজাগ থাকবে। প্রয়োজনে প্রশাসনকে সহযোগীতা করবে।

৮ ফেব্রুয়ারীকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে জানিয়ে কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ আফরাজুল হক টুটুল জানান, ৮ ফেব্রুয়ারী ঘিরে কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলায় কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ যাতে আন্দোলনের নামে সহিংসতা বা সাধারন মানুষের যানমালের নিরাপত্তা বিঘœ ঘটবে এরকম কিছু বরদাস্ত করবে না পুলিশ। র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, ৮ ফেব্রুয়ারীকে স্পেশাল কিছু মনে করছে না র‌্যাব। অহেতুক সহিংসতা করতে চাইলে কাউকেউ ছাড়দেয়া হবেনা। যারা এধরণের ঘটনা ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।- পরিবর্তন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *