চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

admin

চকরিয়ায় বাড়িতে লুটপাট : ডাকাত পাহারায় কমিটি গঠন

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৩ ২২:৫৬:৩৬ || আপডেট: ২০১৮-০৪-১৩ ২২:৫৬:৩৬

মিজবাউল হক, চকরিয়া : 

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে মালুমঘাটস্থ রিংভং ছগিরশাহ্কাটা ২৮ জইন্যা চিংড়ি ঘের বেড়িঁবাধ নির্মাণের জের ধরে একই এলাকার চি‎িহ্নত জবর দখলকারী সশস্ত্র মুখোশধারী সিন্ডিকেট ডাকাত দলেরা ঈর্ষান্বিত হয়ে অত্র ঘোনার নেতৃত্ব দানকারী নেতা মোঃ হোসেন বদি হেডম্যানের বসতবাড়ি ভাংচুর লুট-পাট সহ হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ১১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ২ টার সময় অপ্রীতিকর ও ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা ঘটেছে।

২৮ জইন্যা চিংড়ি ঘেরের নেতৃত্বকারী বর্তমান ডুলাহাজারা বন বিটের বন হেডম্যান ভূক্তভোগী মোঃ হোসেন বদি জানান, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ অধিনস্থ ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের আওতাধীন ডুলাহাজারা বন বিটের অধিন বন জায়গীরদার ২৮ জইন্যা চিংড়ি ঘের দফায় দফায় জবর দখলের চেষ্টা করলে, আমি ২৮ জন বন জায়গীরদারকে গত ১০ তারিখ একত্র করে জবর দখলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য মিটিং করি। উক্ত মিটিং-এ আমি সহ ২৮জন বন জায়গীরদিররা বলেন- চিংড়ি ঘেরে যারা জবর দখল করার চেষ্ঠা  করছে তারা এলাকায় পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ সহ আইন শৃঙ্খলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

একই ভাবে গত ১১ এপ্রিল সকাল আবারো সকল বনজায়গীরদারদের নিয়ে জবর দখলের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে চি‎িহ্নত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে উপস্থিতি সকলের সামনে পরামর্শ ও সমাধান চাওয়াতে, গোপন সূত্রে মুখোশাধারী জবর দখলকারী ব্যক্তিদের কাছে ঐক্যতার কথা এবং জবর দখল উচ্ছেদের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা শুনে, চি‎িহ্নত অবৈধ দখলদারেরা এর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ২টার সময় আমার বসত বাড়ির রান্না ঘরের জানালা ও দরজা ভেঙ্গে ১০/১২ জনের সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাতরা আমার নাতনীর আক্বিকার জন্য রাখা নগদ ৬০ হাজার টাকা ও আমার পূত্র বধুর ২ ভরি স্বর্ণ-অলংঙ্কার সহ ২টি মোবইল সেট নিয়ে যায়। যাওয়ার পথে তাদের নড়া-চড়া টের পেয়ে পূত্র বধু ঘুম ভাঙলে দেখতে পায় স্বশস্ত্র মুখোশধারী লোকজন। এতে তিনি ভয়ে গলা পাটা চিৎকার করলে আমার পূত্র বধুকে ডাকাত দলেরা শ্লীনতাহানির চেষ্টা করে। এতে হই-ছই হলে প্রত্যক্ষদর্শীরা ক্রমাগতভাবে এগিয়ে আসে। এমতবস্থায় ডাকাত দলেরা আমাকে টানা-হেছড়া করে ঘর থেকে বের করে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে প্রত্যক্ষদর্শীদের এগিয়ে আসতে দেখে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। ২৮ জন বনজায়গীরদারেরা বলেন- এলাকার ডাকাত ও খারাপ প্রকৃতির লোক, তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিৎ হবে না।

 

উক্ত ২৮ জইন্না ডাকাত প্রতিরোধ মিটিংয়ে অত্র ১নং ওয়ার্ডের জন প্রতিনিধি মোঃ রফিক উদ্দিন বলেন, আমি নিজেই হেডম্যান বদির বাড়িতে লুটপাটসহ ডাকাতি করেছে। অন্যথায় বদিকে যদি বাড়ি থেকে বের কররে পারলে নিশ্চিত তাকে হত্যা কিংবা গুম করত। সুতরাং উল্লেখিত ব্যক্তি মনজুর আলম, মোঃ কালু বর্তমানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী এবং অপর দুই জনের বিরুদ্ধে থানা-আলাদতে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তাই এসব অপরাধীদেরকে অতি শীগ্রই প্রশাসনের সহযোগীতা নিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।  ২৮ জন বনজায়গীরদারেরাও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *