admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৮ ০১:১৮:৩৯ || আপডেট: ২০১৮-০৪-১৮ ০১:১৮:৩৯

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
রাঙ্গুনিয়ায় ইছামতি নদী থেকে নারী ও শিশুর খন্ডিত লাশ উদ্ধারের চার দিনেও তাঁদের পরিচয় মিলেনি।
পুলিশ লাশের শরীরের অন্যান্য অংশ খুঁজতে অভিযান চালা”েছন। উদ্ধার করা খন্ডগুলো ময়নাতদš- শেষে দাফনের জন্য আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামে দেয়া হবে।
রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঞা বলেন,“ ময়নাতদš- শেষে লাশের সঠিক বয়স, মৃত্যুর পূর্বে ধর্ষণ হয়েছে কিনা, হত্যার সঠিক সময়সহ বি¯-ারিত জানা যাবে। এখনো লাশের দাবিদার কেউ আসেনি। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ছয় টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ঠান্ডাছড়ি বিশ নম্বর এলাকায় ইছামতী নদী থেকে নারীর ধড় উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় একই নদী একটি হাত উদ্ধার করে। হাতে সোনালী রঙের ঘড়ি ও কালো রঙের বোরখা’র হাতা ছিল। দুই কিলোমিটার দূরে পায়ের হাটু থেকে পাতা পর্যš- কাটা একটি অংশ, কোমর থেকে দুই হাটুর উপর পর্যš- খন্ডিত আরও একটি অংশ পায়। যার যৌনাঙ্গ কাটা ও ক্ষতবিক্ষত অব¯’ায় ছিল। একই ¯’ানের নদীর চরে ঘাসের সাথে মাংসবিহীন অন্য হাতটি পাওয়া যায়। এর একশ গজের মধ্যে আনুমানিক ১০/১১ বছর বয়সের একটি কন্যা শিশুর চুল সহ মাথা ও দুই হাতবিহীন গলার নিচ থেকে নাভি পর্যš- মাঝখান বরাবর কাটা ও দুর্গন্ধযুক্ত নাড়িভুঁড়ি বের করা অব¯’ায় ধড় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, উদ্ধার করা শরীর ও মাথা হ”েছ মা-মেয়ের। মা ও মেয়েকে কেউ খুন করে নদীতে ফেলে দিতে পারে।