চট্টগ্রাম, , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

admin

তাসপিয়া হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে টেকনাফে মানববন্ধন

প্রকাশ: ২০১৮-০৫-০৯ ০০:৪৪:০৭ || আপডেট: ২০১৮-০৫-০৯ ০০:৪৪:০৭

বীর কন্ঠ ডেস্ক :

টেকনাফের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ফাউন্ডেশন অব দ্য রাইজিং হিউম্যানিটি’-এর উদ্যোগে আলোচিত তাসপিয়া আমিনের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে টেকনাফ উপজেলা চত্বরে বিশাল মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

অত্র সংগঠনের দফতর সম্পাদক রাশেদুল হাসান রাশেদের সঞ্চালনায় সংগঠনের উপদেষ্টা ও টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সাঈফীর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন- টেকনাফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও টেকনাফ বন্ধুসভার সভাপতি সন্তোষ কুমার শীল, টেকনাফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মো. আবু তাহের, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ আলী আকবর, তাসপিয়া আমিনের বাবা মো. আমিন ও আরো অনেকে।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দুল ইসলাম রানার সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

এসময় তাসপিয়া আমিনের বাবা মো. আমিন অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেন, “আমি আজ অনেক বেশি মর্মাহত। বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমাদের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। কিন্তু এই খুনী নরপিশাচের প্রতি দেয়া আদালতের রায়ে আমি সম্পূর্ণরূপে অসন্তুষ্ট। আমি বলতে চাই, যেই ছেলে অপরাধ জগতের একটা গ্যাং পরিচালনা করতে পারে, একটি মেয়েকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের পর হত্যা করতে পারে, সেই ছেলেকে বয়সের দোহাই দিয়ে বিজ্ঞ আদালত কিভাবে এমন রায় দিতে পারে?

আমি প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, এই খুনীকে রিমান্ডে এনে আমার মেয়ের হত্যার সমস্ত যোগসাজশ বের করে আনা হোক এবং খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দেয়া হোক।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ের খুনিদের শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে যেন এদেশে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়। আমার মেয়ের মতো পরিণতি যেন অন্য কারো মেয়ের না হয়। আর কোনো বাবা-মায়ের বুক যেন খালি না হয় আমার মতো।

 

মিডিয়ার কাছে অনুরোধ করে বলেন, আপনারা আমার মেয়ের পাশে থাকুন। আজ অনেকে আমার মেয়ের হত্যাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। আপনারা সেই সব গুজবে কান দিবেন না দয়া করে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *