admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১২ ২০:৪৯:৩০ || আপডেট: ২০১৮-০৫-১২ ২০:৪৯:৩০

এরশাদ আলম, লোহাগাড়া :
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পদুয়া তেওয়ারীহাটে অনেকদিন ধরে সকালে এবং বিকেলে মোট দু’টি স্থানেই মাছ ব্যবসায়ীরা মাছ বিক্রি করে আসছিল।
বাজারের ইজারাদার মোঃ আবুল হাসেম এবং বাজারের হকার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অালমগীরের নেতৃত্বে গত ১০মে বিকেলে বাজারে ঢোল পিটিয়ে ঘোষনা দিয়ে, (১১মে) সকালে, সকালের মাছ বাজারের স্থানটি পরিবর্তন করে বিকেলের স্থানে সংযুক্ত করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই নিয়ে বাজারের হকার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির সকল সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, এবং একই দিন রাত ১০টায় বন্ধ করে দেওয়া মাছের দোকানে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন,পদুয়া বাজার হকার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির সকল সদস্যরা।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, পদুয়া বাজার হকার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি মোঃ শওকত অালী শেখু।
সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ শের আলীর সঞ্চালনায়, উক্ত মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন,সমিতির সহ-সভাপতি ফরিদুল আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ একরামুল হক বাদশা।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন,
অর্থ সম্পাদক জমির উদ্দিন,
প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন,
যুগ্ন ক্রীড়া সম্পাদক নাজিম উদ্দিন টিপু,
কার্যনির্বাহী সদস্য আবু তাহের, মোঃ হারুন, মোঃ শওকত অালী,শাব্বির আহমদ সওদাগর, মোঃ মোক্তার হোসেন সওদাগর, মোঃ শামসু সওদাগর, নুরু সওদাগর প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বাজারের সুন্দর্য্য রক্ষা করার জন্যে হকার সমিতি আছে, নির্বাচনের মাধ্যমে এই সমিতি হয়েছে। এবং সরকারের কাছ থেকে সমিতির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার (রেজি নং-১২৯০৯)
মাছের দোকান সরাতে হলে বাজারের হকার সমিতি ছিল, ইজারাদার কেন মাছের দোকান সরাবে? ইজারাদারের কাজ কি এগুলো?
বাজারে মাছের দোকান সব এক জায়গায় থাকতে হবে কেন?
এতদিন সকালের মাছের দোকান এক জায়গায় ছিল, কাল থেকে না থাকলে ক্রেতাদের মাছ কিনতে এসে মাছের দোকান না পেয়ে হিমসিম খেতে হবে।
তাই মাছের দোকান আগে যেখানে ছিল সেখানেই থাকবে। আমরা এ সিদ্ধান্ত কখনও মানতে পারবনা। হকারের দোকান গুলো পূর্বে যেখানে ছিল সেখানেই থাকবে।
অন্যথায় আমরা সবাই একসাথে দোকান বন্ধ রেখে কঠুর আন্দোলন করবো।
আমাদের হকার্স সমিতিতে ৯জন নির্বাচিত প্রতিনিধি, ৬জন সদস্য সচিব সহ প্রায় ৪০০ জন সদস্য রয়েছে। হকার্সদের যে কোন কাজ সবার মতামতের ভিত্তিতে হবে। এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক অালমগীর সমিতির কারো সাথে কথা না বলে ইজারাদার অাবুল হাসেমকে নিয়ে কেন এই সিদ্ধান্ত নিল আমরা বুঝতে পারছিনা। মতবিনিময় সভায় সমিতির সবাই উপস্থিত থাকলেও সাধারণ সম্পাদক অালমগীর ছিলনা।
এদিকে ইজারাদার আবুল হাসেম বলেন, কাঁচা মাছের বাজার বসার জন্যে সরকারের পক্ষ থেকে নিচে পাঁকা করে টিনসেট দিয়ে বড় করে স্থান তৈরী করে দিয়েছে। প্রতিদিন সেখানে ৪০-৫০জন মাছ ব্যবসায়ীরা মাছ বিক্রি করে আসছিল।
কিন্তু তারা গায়ের জোরে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া স্থিত টয়লেট ও টাংকির উপর দোকান বসাইয়া ব্যবসা করতেছে।
তাদেরকে সেখানে দোকান না বসিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া টিনসেটে সকাল বিকাল মাছের দোকান করতে বলি, কিন্তু তারা আমাদের কথা শুনেনি। এবং আমাদেরকে বিভিন্ন হুমকি দেয়।
এই বিষয়ে জনৈক নুরুজ্জানের নামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেছি।