admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-০২ ০২:২০:৪৭ || আপডেট: ২০১৮-০৬-০২ ০২:২০:৪৭

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক প্রাণ কেন্দ্র লোহাগাড়া বটতলী মোটর স্টেশন। দীর্ঘ দিন ধরে মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে ওঠেছে ভাসমান হকার। ফুটপাত দখল করে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা ব্যবসা। এর পেছনে ক্ষমতাসীন সিন্ডিকেট চাঁদাবাজী করছে লক্ষ টাকার। এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। এদিকে ফুটপাত দখলে থাকায় লেগে থাকে যানজট। এ নিয়ে ভুক্তভোগিদের অভিযোগের শেষ নেই। 
হঠ্যাৎ করে ১জুন সন্ধ্যা ৭ টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত লোহাগাড়া থানা পুলিশ শ্বাষরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করেন।লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম’র নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। যানজট নিরসনে এ অভিযানকে স্বাগত জানায় স্থানীয় ব্যবসায়ি ও ক্রেতা সাধারণ। অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম’র সাথে থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আবদুল আউয়াল, এসআই ওবাদুল হক, এসআই মুহাম্মদ আতিকুর রহমান খাঁন, এসআই জাকির সিকদার,এসআই সোহেল সিকদার, এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এসআই মুফিজুর রহমান, এসআই মুজিবুর রহমান, এএসআই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এএসআই মুহাম্মদ বিল্লালসহ সঙ্গীয় ফোর্স ছিলেন।
বীরকণ্ঠের প্রশ্নের জবাবে অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোন ভাবেই ভাসমান দোকানিরা ফুটপাত দখল করতে পারবে না। ক্রেতা সাধারণের নিরাপত্তা জোরধার করা হয়েছে।

পথচারী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বছরখানেক আগে দু’জন ট্রাফিক কনস্টেবল লোহাগাড়া যানজটমুক্ত রাখতেন। আর এখন জনবল বাড়ানো হয়েছে, যানজটও বেড়েছে। টিআই ও সার্জেন্ট থাকার পরও যানজটমুক্ত হল না। এ নিয়ে বেশ ক’জন ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
বীরকণ্ঠের জবাবে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের আরো জানান, পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে ইভটিজার, চাঁদাবাজী সহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডকে বন্ধ করতে ৩ টি মোবাইল টিম গঠন করেছি। পুরো উপজেলার মার্কেটগুলোকে সু-শৃংখল বজায় রাখতে অতিরিক্ত ৩০ জন পুলিশ সার্বক্ষনিক টহল অব্যাহত রেখেছি। বড় ধরনের কোন সমস্যা এখনো হয়নি, সামনেও না হওয়ার জন্য সাংবাদিকদেরও সহযোগিতা কামনা করছি।
তিনি আরো বলেন, মার্কেটের সামনে কোন যুবক যেন ঝড়ো হয়ে আড্ডা না দেয়, রাস্তার মধ্যে গাড়ী পার্কিং করে যত্রতত্র ভাবে না রাখে। যদি কোন ক্রেতা সাধারনের যাতায়াতের বিঘ্ন ঘটে, তা হলে সড়কে থাকা গাড়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সব দিকে খেয়াল রেখে ক্রেতা সাধারনের নিরাপত্তা বজায় রাখার চেষ্টা করছি।
সরেজমিনে দেখা যায়, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাত দখলের কারণে যানজট লেগে থাকতো। অভিযান পরিচালনার পর থেকে বটতলী মোটর স্টেশন যানজটমুক্ত হয়।