চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

admin

চন্দনাইশে জমে উঠেছে ঈদ বাজার 

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-০৩ ১৫:০৬:৪৫ || আপডেট: ২০১৮-০৬-০৩ ১৫:০৬:৪৫

  • এসএম রাশেদ,চন্দনাইশ প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন শপিং সেন্টারে ঈদের কেনাকাটা এখন শেষ মুর্হুতে সগরাম হয়ে রাত-দিন অবধি বিকিকিনি চলছে। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই মার্কেট গুলোতে উপটেপড়া ভীড়ও বাড়ছে।

এবার মার্কেট গুলোতে পুর“ষ ক্রেতাদের চেয়ে মহিলা ক্রেতা লনীয়। তবে এবার শপিং সেন্টার গুলোতে পুর“ষদের জন্য তেমন কোন মডেল বাহির না হলেও  মহিলাদের জন্য গ্রাউন ত্রি-পিছ কাপড় চেয়ে গেছে পুরো বাজার। যদিও ভারতীয় কাপড়ের নাম পুরানো হলোও মার্কেট দখল করে রয়েছে ভারতীয় কাপড়। হাজারী টাওয়ারের ২য় তলায় দোহাজারী সাঙ্গু শপিং মলের মালিক আবদুল ছালাম বলেন, রমজান শুর“তে তেমন বিকিকিনি কম থাকলেও এখন রাত অবধি বিকিনিনি চলছে। আফনান কথ ষ্টোরের কাপড়ের দোকানদার জানান, দোহাজারী একটি কৃষি প্রধান এলাকা এখানে রমজান শুর“তে সবজির দাম খুব নিম্ন হওয়ায় কৃষকরা ঈদের বাজার কম করলে এখন সবজির দাম বাড়ার সাথে বিকিকিনিও অন্যআন্য বছর থেকে ব্যবসা ভাল হ”েছ। খাঁন প্লাজার কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী ইসলাম জানান, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় রোজা ১০/১২টি মধ্যে ক্রেতাদের সমাগম বেড়েছে।

 

চন্দনাইশের গণি সুপার মার্কেট, ছিদ্দিক বা”চুরা মাকেট, দোহাজারী হাজারী শপিং সেন্টার, সামশুদ্দিন সুপার মার্কেট, হাজারী টাওয়ার, খান প্লাজা, নিউ খান প্লাজা, রহমান শপিং সেন্টার প্রত্যেকটি মার্কেটে ঈদ উপলে সব শ্রেনীর ক্রেতা সাধারণদের জন্য আধুনিক ও উন্নতমানের দেশি-বিদেশী পরিধেয় ও প্রসাধনী সামগ্রী তুলেছে। মার্কেটগুলোতে আরো রয়েছে আলাদা আলাদা জুতা, কসমেটিক ও জুয়েলারী সামগ্রী দোকান। কড়া নিরাপত্তা ব্যবসম্ নিয়েছে স্ব-স্ব মার্কেটের ব্যবসায়ীক সমিতি। তবে এ ঈদ বাজারে ক্রেতা আকর্ষণ করতে খান প্লাজা ২০০ টাকার যে কোন পণ্য কিনলে লটারী দেওয়ায় অধিকাংশ ক্রেতারা একটি লটারীর জন্য হলোও ওই মার্কেট থেকে কিছুনা কিছু পন্য ক্রয় করছেন। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মার্কেট গুলোতে ভীড় ভাড়ছে। গ্রামগজ্ঞে মার্কেট ¯’াপন হওয়ায় যাতায়তের সুব্যব¯’া ও নিরাপত্তা জোরদারের কারণে গ্রামীণ মহিলাদের অধিকাংশ সময়ই রাত অবধি মার্কেটে কেনাকাটা করতে দেখা যায়।

 

সরেজমিনে মার্কেট গুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, এবারে মার্কেট গুলোতে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য হরেক রকমের লাল,নিল ও সবুজ বাতিতে আলোকসর্জ্জায় মেতে উঠেছে। তাছাড়া মার্কেটের দোকান গুলোতেও সাজিয়েছে বিভিন্ন রকম বাতি দিয়ে আলোকসজ্জায়। এসব শপিং সেন্টারগুলোতে সকাল থেকে রাত অবধি চলছে ঈদের নানা পণ্যের বিকিকিনি। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট গুলোর পাশে ভাসমান মার্কেট তৈরী হওয়ায় মধ্যবিত্ত লোকরা ওখানে তাদের পছন্দের কাপড় ছোপড় ক্রয় করতে দেখা গেছে।

দোহাজারী খান প্লাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুর রহমান জানান, এবার খাঁন প্লাজায় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ২০০ টাকার পণ্য কিনে লটারী দেওয়া হয়েছে। এতে  মোটরসাইকেলসহ বিশেষ পুর“স্কারের ব্যব¯’া রয়েছে। দোহাজারী হাজারী টাওয়ার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ হাসান ও সেক্রেটারী মোঃ সেলিম জাবেদ জানান, দোহাজারীর সবচেয়ে বড় মার্কেট হাজারী টাওয়ার, এখানে সব ধরনের দোকান রয়েছে যে ক্রেতাএকবার শপিং করতে আসবে সে সব ধরণের কেনাকাট করতে পারবে। এছাড়াও সার্বণিক ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য চন্দনাইশ থানা  ও দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ সার্বণিক রয়েছে এবং স্ব-স্ব মার্কেটে ৫ওয়াক্ত নামাজসহ ২ শিফটে তারাবির নামাজেরও ব্যব¯’া করা হয়েছে।  হাজারী টাওয়ার সাফা কুটির মালিক আতিক বলেন, তাদের দোকানে রয়েছে নিজস্ব কারখানায় হাতের নকশায় রয়েছে ইরানি,কাপতান, আবাইয়া, দুবাই,তুর্কি বোরকা, লেডিস ব্যাগ চমুচা, কুররমসহ অনেক আইটেম।  সম্পন্ন দোহাজারী হাজারী শপিং সেন্টারে শপিং সেন্টারে করতে আসা দোহাজারী বালিকা উ”চ বিদ্যালয়ের শিক মফিজুর রহমান বলেন, এবার প্রতিবারের মত ভারতীয়  কাপড়ে মার্কেট চেয়ে গেছে এছাড়াও দোকানীরা অন্য কোন কাপড় দেখা”েছন না তাই বাধ্য হয়ে ভারতীয় শাড়ী তার স্ত্রীকে ক্রয় করে দিয়েছেন। দোহাজারী হাজারী টাওয়ারের ২য় তলায় রয়েছে ইজি কসমেটিক দোকানের মালিক আবদুল্লাহ বলেন, এক ছাদের নিয়ে ৫ ধরণে পণ্য সামগ্রী রেখেছেন। গাছবাড়ীয়া ছিদ্দিক বাছুরা মার্কেটে শপিং করতে আসা গৃহনী নিলু আক্তার জানান, অন্যান্য বছর ঈদে শাড়ী ক্রয় করলেও এবছর পাখি ত্রি-পিচ ক্রয় করছেন। দোহাজারী নাছির প্লাজার সামনে একটি ভাসমান মার্কেট থেকে কাপড় ক্রয় করার সময় রিমা আক্তার, জেরিন আক্তার, র“মি বেগম নামের অনেক মহিলা অভিযোগ করেন, কয়েকটি দোকনদাররা কাপড়ের আকাশ ছোঁয়া দাম হাক্কা”েছ তার কারণে অনেক মধ্যবিত্ত লোকজন এসব মার্কেট থেকে কাপড়-ছোপড় না নিয়ে ভাসমান মার্কেট থেকে কাপড় ছোপড় ক্রয় করছে। এবছর তর“নীদের জন্য জটজট, টু-পাট, দিল্লি বুটিক, ঢাকা বুটিক, রেহেঙ্গা মনপুরা, কুঠি থ্রীপিচ, তর“নদের জন্য থাই পেন্ট,থাই শার্ট, জিন্স প্যান্ট, জিন্স শার্ট সারোবখানের পাঞ্চাবী, টিসু পুল প্যান্ট আর মহিলাদের জন্য জামদানী, কাতান, জটজট,সুতি কারো কাজের শাড়ী, টাঙ্গাইল জটজট, পাবনা কাতান। ও শিশুদের জন্য খুটি, জিন্স, বাবা সেট,গ্রাউন, চায়না কাপড়ের চাহিদা বেশী বলে দোকানিরা জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *