চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

Faruque Khan Executive Editor

রাঙ্গুনিয়ায় ভারি বৃষ্টিতে বন্যা: পাহাড় ধসের শঙ্কায় সাধারণ মানুষ

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১১ ২৩:১৯:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১১ ২৩:১৯:০৩

 

আব্বাস হোসাইন আফতাব,  রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: 

দুইদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় প্লাবনে দেড় শত গ্রামের অন্তত দুই হাজার কাঁচা ঘর ডুবে গেছে। পানির নিচে শতাধিক আভ্যন্তরীন সড়ক। যানবাহন চলাচল করতে না পারায় অন্তত ১৫ সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের তারে গাছ পড়ে বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। পাহাড়ী ঝুঁকিপূর্ন এলাকা থেকে বসতি সরে যেতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, টানা বর্ষনে মরিয়ম নগর চৌমুহনী ও পারুয়া ডিসি সড়কের প্রায় ২০ স্থান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাহাড়ী ঢলে পুকুর ডুবে কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুনভাবে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পৌর এলাকা, পারুয়া, সরফভাটা, শিলক, লালানগর, হোছনাবাদ, রাজানগর, ইসলামপুর, দক্ষিণ রাজানগর ও স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের সবকটি গ্রাম।

হোছনাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সেকান্দর হোসেন বলেন, মোগলের হাট, কানুরখীলসহ হোছনাবাদ ইউনিয়নে পাহাড়ী ঢল ও টানা বৃষ্টিতে  শতাধিক কাঁচাঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেঙ্গে গেছে সড়ক যোগাযোগ। ইউনিয়নের অন্তত ৪০ টি পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে।

পারুয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুর রহমান তালুকদার বলেন, পাহাড়ী ঢলে উত্তর রাঙ্গুনিয়ার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম পারুয়া ডিসি সড়কের অন্তত ১২ স্থান পানিতে নিমজ্জিত। এলাকার শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “ প্লাবনে ডুবে যাওয়া ঘরবাড়ি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের তাৎক্ষনিক সহযোগিতার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বলা হয়েছে। পাহাড়ী ঝুঁকিপূর্ন বসতি থেকে লোকজনকে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।  সরকারি সহযোগিতার জন্য তালিকা করে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে। ”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *