admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১১ ২১:৪৪:৩৪ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১১ ২১:৪৬:০৯

বীর কন্ঠ ডেস্ক :
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সিনিয়র নার্স ছায়া চৌধুরীকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই তাদের সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত।
এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। শুনানিকালে আদালত বলেন, ‘হাসপাতালের দায়িত্ব চিকিৎসা দেয়া। কিন্তু তারা এ ধরনের আচরণ করতে পারে না।’
অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জানান, ভুক্তভোগী মরিয়ম বেগমকে চিকিৎসা দিতে হাসপাতালের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এছাড়া নবজাতকের জীবন রক্ষায় হাসপাতালের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং মৃত নবজাতকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও নার্সদের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি এবং সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট মোট নয়জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এর আগে গত ৯ মে রাত সাড়ে ১০টায় প্রসববেদনা নিয়ে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান পুঁটিবিলা গৌড়স্থান এলাকার দিনমজুর মহররম মিয়ার স্ত্রী মরিয়ম বেগম। কিন্তু সেখানে দুর্ব্যবহার করে রোগীকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে নার্স ছায়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এরপর হাসপাতালের প্রাঙ্গণে সন্তান প্রসব করেন মরিয়ম বেগম। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ওইসব প্রতিবেদন সংযুক্ত করে আদালতে রিট দায়ের করা হয়। এর আগে গত ১০ জুন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে মনজিল মোরসেদ রিটটি দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন।- সূত্র – যুগান্তর