admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১২ ২১:৫৭:০৪ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ২১:৫৭:০৪

নূর হোসেন মামুন, কাপ্তাই :
কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্নস্থানে অস্থায়ীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে প্রায় ১৫টি অাশ্রয়কেন্দ্র। ঝুঁকিগ্রস্থরা তাঁদের পরিবার নিয়ে অাসতে শুরু করেছে অাশ্রয়কেন্দ্রে। অাজ পর্যন্ত প্রায় ৩’শতাধিক ঝুঁকিগ্রস্থ এসেছে অাশ্রয়কেন্দ্র।
ভারী বর্ষণে গত সোমবার রাতে হতে গতকাল পর্যন্ত কাপ্তাইয়ের শিল্প এলাকা, লক গেইট, চন্দ্রঘোনার মুরালীপাড়া, বারোঘোনিয়া ফার্ম এলাকা, সিনামহল এলাকা, ওয়াগ্গার মুরালীপাড়া, কুকিমারা সহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পাহাড় ধ্বস হয়েছে। অাশ্রয় শিবিরে অবস্থান নেওয়ায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এখনো। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লক্ষাধিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে অাজ সকালে উপজলার বিভিন্ন অাশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে অাসেন কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল অামিন, কাপ্তাই উপজেলা অাওয়ামীলীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান অাব্দুল লতিফ, ওয়াগ্গা ইউপি চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তনচংগ্যা সহ অারও অনেকে।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল অামিন অাশ্রয় শিবিরে অবস্থান নেওয়া ছোট্ট শিশুদের চিপস বিতরণ করেন। শিশুরা চিপস পেয়ে দাড়ুন অানন্দিত হয়েছে। অাশ্রয় শিবিরে অাজ রাতে খিচুরি খাওয়ানো হবে বলে জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল অামিন বলেন, ঝুঁকিগ্রস্থরা অাগামী কাল থেকে অাশ্রয়কেন্দ্রে অাসতে শুরু করেছে। অাজ পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক লোক অাশ্রয় শিবিরে অবস্থান নিয়েছে। তবে রাতের মধ্যে এর সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি অারও বলেন, অামি তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করে বলে দিয়েছি ঝুঁকিগ্রস্থদের অাশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে। যদি সরকারি নির্দেশ কেউ অমান্য করে তাহলে তাঁদের অামি ভ্রাম্যমান অাদালতে জেল দিয়ে দিবো।
কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, কাপ্তাইয়ের বিভিন্নস্থানে ব্যাপক পাহাড় ধ্বস চলমান রয়েছে।