চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

admin

পটিয়ায় তিন দিনের বিরামহীন. বর্ষণে ঈদ বাজারে ধস

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১২ ২২:৩৪:১৫ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ২২:৩৪:১৫

আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ : 

পটিয়া পৌর সদরের প্রধান ব্য¯Íতম শহীদ আবদুস ছবুর রোড সড়কটি গত তিন দিনের বিরামহীন বর্ষণে হাটু পানিতে তলিয়ে যায়। এতে এ সড়কের উভয় পাশে থাকা ৫/৬টি শপিং মল ও ঈদ বাজারে ক্রেতা কমতে শুরু করে। যা ঈদ বাজারে মারাত্মক প্রভাব ফেলায় দোকানিরা হতাশ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সড়কটির অধিকাংশ এলাকায় খানা-খন্দক ও পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য সড়ক গুলো ও এখন পানি নিষ্কাশনের অভাবে চলাচল অযোগ্য হওয়ায় জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে। সচেতন মহল এ সড়কের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য পৌর কতৃপক্ষের

হস্তক্ষেপ  কামনা করেছেন।

 

জানা যায়, পটিয়া একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। এর রয়েছে একাধিক ব্য¯Íতম সড়ক। যে সড়ক গুলো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী , সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চাকুরীজীবীরা এ সড়ক গুলো দিকে চলাচল করে। কিন্তু সড়কগুলো বর্তমানে গত তিন দিনের বিরামহীন বর্ষণে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে জনসাধারণকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা পরিকল্পনার মাধ্যমে পৌর এলাকার সড়কগুলো চলাচল উপযোগী করার জন্য পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, বর্তমানে পটিয়া শহীদ ছবুর রোড, পটিয়া শহীদ মিনার টু আদালত সড়ক, পটিয়া ষ্টেশন রোড, পটিয়া ক্লাব রোড, পটিয়া রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম টু খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ, মুন্সেফ বাজার ও আবদুর রহমান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং সাংবাদিক জালাল উদ্দিন আহমেদ সড়ক, প্রীতিলতা সড়ক সম্পূর্ণ চলাচল অযোগ্য। এখানে কোন মানুষই স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারছে না। হাটতে গেলেই কাপড় চোপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ঈদ বাজারের মার্কেট গুলোতে ক্রেতার ধস নেমেছে।

পটিয়া দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আল হোসাইন এর মালিক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, তিন দিনের বর্ষণ আমাদের ব্যবসা বাণিজ্যে যতেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। আমরা গত ১০/১৫ দিনে যে হারে বিক্রয় করেছি। গত দিনে সে তুলনায় অর্ধেকও ব্যবসা হয়নি। বর্ষণের কারণে ক্রেতারা মার্কেটে আসতে না পারায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা আর ২/৩ দিন চললে আমাদের ঈদ বাজারের বিক্রয়ের টার্গেট পূরণ হওয়া না হওয়া নিয়ে সংশয় থেকেই যাবে।

ভুক্তভোগী নুরুল হাসান সেলিম বলেন, পৌরসভার সড়ক গুলো দেখভালের দায়িত্ব পৌর কতৃপক্ষের । কিন্তু দিনের পর দিন কর্দমাক্ত সড়ক গুলো দেখার যেন কেউ নেই। তার সাথে গত তিন দিনের বর্ষণ এর পানি এ সড়ক গুলো দিয়ে এমনভাবে চলাচল করেছে, যেন এগুলো সড়ক নয়, খাল। আমরা সড়কগুলোর উভয় পাশের নালা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রবল বর্ষণ হচ্ছে। এ কারণে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা পটিয়ায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বা¯Íবায়ন করছি। এগুলো সম্পন্ন হলে পটিয়ায় আর কোন জলাবদ্ধতা থাকবে না। তবে সাময়িক জলাবদ্ধতা সহ সমস্যা নিরসনে আমরা সজাগ রয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *