admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১২ ১৫:৫০:৩৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ১৫:৫০:৩৩

বীর কন্ঠ ডেস্ক :
‘একদিকে পাহাড়ি ঢল, অন্যদিকে ভারী বৃষ্টি। ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভাসহ ১৪ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। দুই দিনে পানিবন্দি হয়েছে হাজার হাজার পরিবার। অনেকের হাতে টাকা থাকলেও তারা অসহায়। এত পানি আগে দেখেনি ফটিকছড়ির মানুষ।’
মঙ্গলবার (১২ জুন) সকালে ফটিকছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার বলেন এভাবেই বন্যা পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসক মহোদয়কে পরিস্থিতি অবহিত করেছি। কিন্তু এ মুহূর্তে ত্রাণসামগ্রী পাঠালেও পৌঁছানো অসম্ভব। বেশিরভাগ ইউনিয়নের সড়কে কোমরপানি। বেশকিছু সড়ক পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে। তারওপর তীব্র স্রোতের টান। ভোররাতে কাঞ্চননগর ইউনিয়নে দ্বীপের মতো একটি বাড়ির গাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আটজনকে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়িতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নারায়ণহাট, ভুজপুর, হারুয়ালছড়ি, সুয়াবিল, পাইন্দং, লেলাং, রোসাংগিরি, নানুপুর, বক্তপুর, ধর্মপুর, জাফতনগর, সমিতিরহাট, আবদুল্লাপুর, ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌর এলাকার হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেসে গেছে পুকুর-দীঘি, মাছের খামারের মাছ, মুরগির খামার ও গৃহপালিত পাখি এবং গবাদি পশু। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর যান চলাচলও। – বাংলানিউজ