admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১৩ ০২:২৯:৪৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১৩ ০২:২৯:৪৩

গত বছরের ১৩ জুন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ইতিহাসে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছিল। সেদিন রাতে পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে ২২ জন মানুষ মারা যায়। পাহাড়ী ঢলে বন্যার পানিতে ভেসে যায় আরো ৫ জন লোক। সেদিন রাতে পাহাড় ধ্বসে এত মানুষ মারা যাবে কেউ ভাবতে পারেনি। এমাসেও পাহাড় ধ্বসের আশংকায় আছেন অন্তত ৩০ হাজার মানুষ। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার দেড় শত গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পাহাড় ঝুঁকিতে বসবাসরত লোকজনকে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসণ ও পুলিশে পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে।
গত বছর উপজেলার ইসলামপুর ও রাজা নগর ইউনিয়নে পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটে। এ এলাকায় এখনো পাহাড়ের লোকজনের বসবাস জানিয়ে রাজা নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম আলম তালুকদার ও ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, “ পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ন বসতি এলাকায় বসবাস করা লোকজনকে সরিয়ে যেতে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। এসব এলাকার ইউপি সদস্যদের তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সরে যেতে অনুরোধ করতে করতে বলা হয়েছে।
পাহাড় বেষ্ঠিত এলাকায় ঝুঁকিপূর্ন স্থান থেকে লোকজনকে সরে যাওয়ার জন্য পুলিশ মাইকিং চালাচ্ছে। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঞা বলেন“ গত বছরের ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসের ট্র্যাজেডি’র কথা চিন্তা করে পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক মাইকিং চলছে। পাহাড়ী ঝুঁকিপূর্ন ইউনিয়নে পুলিশের পিকআপ ব্যবহার করে পুলিশ কর্মকর্তারা মাইকিং চালাচ্ছেন। ”
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “ গত বছরের ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে মানুষ মারা যাওয়ার পরও মানুষ তবু সতর্ক হচ্ছেনা। পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকিতে বসবাসরত লোকজনকে সরিয়ে নিতে সর্বাত্বক চেষ্ঠা চলছে। ”