admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১৪ ১৬:৩৬:৫২ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১৪ ১৬:৩৬:৫২

বীর কন্ঠ ডেস্ক :
পোর্ট কানেকটিং রোড ও আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে ভয়াবহ যানজট নিয়ন্ত্রনে আনার লক্ষ্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এ লক্ষ্যে ঈদের পরে আইন শৃক্সখলা বাহিনী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে কার্যকর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আসন্ন ঈদের পর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইন শৃঙ্খলা প্রশাসন,পরিবহণ নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আজ সকালে চসিক মেয়র দপ্তরে সিটি মেয়র চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবুর রহমান পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ানের সাথে এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে প্রাথমিক আলোচনায় বসেছেন। বৈঠকে সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদুল হাসান,চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় মেয়র বলেন, পোর্ট কানেকটিং রোডে ব্যবসায়ীরা ক্যারেটগুলো দোকানে না রেখে রাস্তায় ফেলে রাখে। এতে করে রাস্তার অনেক জায়গা তাদের দখলে চলে যায়। আবার এই ক্যারেট লোডের সময় ট্রাকগুলো রাস্তায় পার্কিং করা থাকে। একই সাথে এই সড়কে সব সময় অবৈধ ভাবে পরিবহনসহ বিভিন্ন গাড়িও পার্ক করা থাকে। এই সড়কে যানজট সৃষ্টির এটা একটি অন্যতম কারণ। তিনি ব্যবসায়ীদের ক্যারেট রেখে রাস্তা দখল মানসিকতা প্রতিরোধ করা এবং অবৈধ পার্কিং সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
যানজটের দ্বিতীয় কারণ হিসেবে সিটি মেয়র সড়ক উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিষয়টিও টেনে আনেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জাইকা’র অর্থায়নে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে পোর্ট কানেকটিং রোড এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোডকে ছয় লেনে উন্নীতকরণে কাজ শুরু করেছে। এই উন্নয়ন কর্মকান্ড আগামী ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত চলবে। তাই দ্রুত সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার সুবিধার্থে আপাতত সড়কের একপাশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যানজট সৃষ্টিতে এটিও একটি কারণ। তবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক পুলিশদেরকে এ ব্যাপারে আরো গতিশীল ভূমিকা রাখার পক্ষে তিনি মতামত ব্যক্ত করেছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে সিটি মেয়র সড়কে বন্দরের পণ্য বাহী অতিরিক্ত যান পরিবহনের বিষয়টিকে প্রসঙ্গে আনেন। তিনি বলেন, দৈনিক ৭/৮ হাজার পণ্যবাহী ট্রাক,কাভার্ড ভ্যান বা প্রাইম মুভার গাড়ি বন্দর থেকে বের হয়। কিন্তু এই পরিমাণ গাড়ি চলার মত আয়তন বা পরিস্থিতি এই সড়কের নেই। কাজেই যানজট লেগেই রয়েছে। ছয় লেনে উন্নীতকরণ কাজ সম্পন্ন হলে এই সড়কে সৃষ্ট যানজট সমস্যা নিরসন হবে। আমাদেরকে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নকালিন আগামী ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত গৃহিত সিদ্ধান্ত কার্যকর রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে।