admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১৮ ১৭:৫৭:১৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১৮ ১৭:৫৭:১৩

আবদুল হাকিম রানা, বীরকন্ঠ :
চট্টগ্রাম – কক্সবাজার – আরাকান মহা সড়ক বিগত ৬ দিনের প্রবল বর্ষনে সৃষ্ট খানা খন্দকে মারত্মক ঝুকির মুখে রয়েছে। বর্তমানে এ মহাসড়কে প্রায় কয়েক শ ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গেলেই দূঘটনার ঝুকি রয়েছে।
সরেজমিন পরিদশর্ন ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়,দক্ষিণ চট্টগ্রাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন মহা সড়ক চট্রগ্রাম – কক্সবাজার – আরাকান মহাসড়ক। এ মহাসড়ক দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার ও পাহাড়ী কণ্যা বান্দরবানে যাতায়ত করে থাকে হাজার হাজার পর্যটক।
বতমানে সড়কটির বেহাল দশার কারণে পর্যটন সহ আমদানী রপ্তানী খাত হুমকির মুখে পড়ার শংকা বিরাজ করছে।বিশেষ করে বর্তমানে এ মহাসড়কটির পশ্চিম পটিয়ার ভেল্লাপাড়া এলাকা থেকে পৌর সদরের ইন্দ্রপোল, পটিয়া থানার সম্মুখ স্হল, ডাক বাংলো, বাস ষ্টেশন, চক্রশালা, মোজাফফরাবাদ, চন্দনাইশের রৌশন হাট, বাদামতল, গাছবাড়িয়া, খানহাট,দোহাজারী, মৌলভীর দোকান,কেরানীহাট, ঠাকুরদীঘি তেয়ারিহাট, আমিরাবাদ, চুনতি সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক স্পট এখন চলমান বর্ষনে কয়েক শ খানা খন্দকে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ চট্রগ্রাম পরিবেশ আন্দোলনের আহবায়ক মহিউদ্দিন বকুল বলেন, প্রতিবছর বর্ফষা মৌসুম আসলেই সড়ক মহা সড়ক গুলোর দরবস্হা নানান দূঘটনার জন্ম দেয়, ঈদের আগের দিন পটিয়া শাহগদি মার্কেট এলাকার দূঘটনায় ৩ জনের প্রাণ গেছে।
অনেকেই পঙ্গুত্ব বরনের প্রহর গুনছে। এর কারণ সড়কের বেহাল দশা ও অদক্ষ চালক কতৃক গাড়ী চালানো। তিনি এ ব্যাপারে যোগাযোগ মন্ত্রনালয় এর সুদৃষ্টি কামনা করেন। ক্যাব কমর্কতা সাজ্জাদ কবীর আরজু বলেন, বতমানে এ ব্যস্ততম সড়কে এতবেশী গর্ত যে গাড়ী কেন? পায়ে হেটে চলাচল ও ঝুকি। তিনি সংস্কার নয় স্হায়ী ভাবে এ সড়ক যাতে অল্প সময়ে কংকালসার না হয় সেদিকে সড়ক বিভাগের সুনজর দেওয়া জরুরী বলে অভিমত প্রকাশ করেন। দোহাজারী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ তোফায়েল মিয়া বলেন, হটাৎ বৃষ্টির কারনে মহা সড়কে যে গর্ত হয়েছে তা ভরাটে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি বৃষ্টি থামলে এ সমস্যা আর থাকবে না, নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।