চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

admin

লোহাগাড়ায় জামছড়ি খালে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৩ ১৬:১৫:০৯ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৩ ১৬:১৫:০৯

মোহাম্মদ ইলিয়াছ :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা জামছড়ি খালের উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারাপার করছে চার গ্রামের মানুষ। এ সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও কৃষক। শুষ্ক মৌসুমে কোনোরকমে খাল পারাপার করা গেলেও বর্ষাকালে কষ্টের সীমা থাকে না এলাকাবাসীর।

জানা গেছে, উত্তর চরম্বা দিঘীর পাড়া, কালোয়ার পাড়া, মজিদের পাড়া ও চৌধুরী পাড়ার প্রায় ২৫ হাজার লোকজনের বর্ষাকালে পারাপারের একমাত্র উপায় এই বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়রা এ সাঁকো দিয়ে চরম্বা বাংলা বাজার ও নয়াবাজারে যায়। ওই বাজারে সপ্তাহে তিন দিন হাট বসার কারণে কৃষকরা বিভিন্ন সবজি ও মালামাল নিয়ে ঝুঁকি নিয়েই সাঁকো পারাপার হয়। সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হয় চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়, চরম্বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসা ও ছিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী।

স্থানীয় অধিবাসী অধ্যক্ষ এম সোলাইমান কাসেমী জানান, বহু বছর ধরে এলাকাবাসী বর্ষাকালে স্ব-উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার হচ্ছে। প্রতিদিন এ সাঁকো দিয়ে চার গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ বহু লোকজন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার শফিকুল ইসলাম জানান, জামছড়ি খালে কোন ব্রিজ না থাকায় বর্ষাকালে খাল পারাপারে শত শত মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। তিনি জামছড়ি খালে ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন। শীঘ্রই ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

চরম্বা জামছড়ি খালের উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারাপার করছে চার গ্রামের মানুষ। এ সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও কৃষক। শুষ্ক মৌসুমে কোনোরকমে খাল পারাপার করা গেলেও বর্ষাকালে কষ্টের সীমা থাকে না এলাকাবাসীর।

জানা গেছে, উত্তর চরম্বা দিঘীর পাড়া, কালোয়ার পাড়া, মজিদের পাড়া ও চৌধুরী পাড়ার প্রায় ২৫ হাজার লোকজনের বর্ষাকালে পারাপারের একমাত্র উপায় এই বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়রা এ সাঁকো দিয়ে চরম্বা বাংলা বাজার ও নয়াবাজারে যায়। ওই বাজারে সপ্তাহে তিন দিন হাট বসার কারণে কৃষকরা বিভিন্ন সবজি ও মালামাল নিয়ে ঝুঁকি নিয়েই সাঁকো পারাপার হয়। সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হয় চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়, চরম্বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসা ও ছিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী।

স্থানীয় অধিবাসী অধ্যক্ষ এম সোলাইমান কাসেমী জানান, বহু বছর ধরে এলাকাবাসী বর্ষাকালে স্ব-উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার হচ্ছে। প্রতিদিন এ সাঁকো দিয়ে চার গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ বহু লোকজন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার শফিকুল ইসলাম জানান, জামছড়ি খালে কোন ব্রিজ না থাকায় বর্ষাকালে খাল পারাপারে শত শত মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। তিনি জামছড়ি খালে ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন। শীঘ্রই ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান। সূত্র – ইত্তেফাক

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *