admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৬ ১৫:০১:৪২ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৬ ১৫:০১:৪২
বীর কন্ঠ ডেস্ক :
চট্টগ্রামের আলোচিত আবু জাফর অনিক হত্যায় জড়িত সন্দেহ আরো দুই আসামিকে কুমিল্লার দাউদকান্দির চক্রশালা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দিনগত রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- মামলার ৫ নম্বর আসামি ইমন (১৬) ও ৬ নম্বর আসামি শোভন (২৪)। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই মামলায় শুক্রবার ভারতের কলকাতায় আত্মগোপনে থাকা মহিউদ্দিন তুষার ও এখলাসুর রহমানকে গ্রেফতার করে সেখানকার পুলিশ।
সেই কর্মকর্মা বলেন, কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দির চক্রশালা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা ইমন ও শোভনকে নিয়ে পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামে রওয়ানা দিয়েছে। এর আগে একই মামলায় শুক্রবার রাতে কলকাতার খাস ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অনিক খুনের আসামি মহিউদ্দিন তুষার ও এখলাসুর রহমানকে গ্রেফতার করে সেই দেশের পুলিশ। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুইজনকে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশ পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
ঈদের পরদিন (১৭জুন) দিনগত রাতে নগরের চট্টেশ্বরী পল্টন রোডে খুন হন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. নাছির উদ্দিনের ছেলে আবু জাফর অনিক (২৬)। ওই রাতে বাবার সামনেই ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় অনিককে।
ঘটনার পরের দিন নিহত অনিকের বাবা মো. নাছির উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে সিএমপির চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয় যুবলীগ ক্যাডার মহিউদ্দিন তুষারকে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- যুবলীগ কর্মী মিন্টু (৩২), ইমরান শাওন (২৬), ইমন (১৬), শোভন (২৪), রকি (২২), অপরাজিত (২২), অভি (২১), বাচা (২২), এখলাস (২২), দুর্জয় (২১) এবং অজয় (২১)।
এ পর্যন্ত মামলার ১২ আসামির মধ্যে ১ নম্বর আসামিসহ চারজন গ্রেফতার হয়েছে। বাকি আটজন এখনও অধরা।
এক প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান বলেন, খুনিরা বড় ভাই বা অন্য কেউ, যার ছত্রছায়ায় থাকুক না কেন, গ্রেফতার এড়াতে পারবে না কেউই। সময়ের ব্যবধানে সবাই গ্রেফতার হবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের চাপাচাপিতে কোনো লাভ নেই। খুনি যেই হোক না কেন আইনের আওতায় আসবেই।- পরিবর্তন ডটকম