admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০১ ২১:৪৯:৩০ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০১ ২১:৪৯:৩০

আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ :
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ব্যবস্থাপনায় গতকাল শনিবার জেলার দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সংগঠক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মজলুম জননেতা কাজী সোলাইমান চৌধুরীর চক্ষু শাহাদাত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা নুরুল ইসলাম হিরু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মজলুম জননেতা কাজী সোলাইমান চৌধুরী।
উদ্বোধক ছিলেন জেলা ইসলামী ফ্রন্ট যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জননেতা কাজী হাফেজ আহমদ আল-কাদেরী। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা এইচ এম শহিদুল্লাহ। বিশেষ বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, আল্লামা ইউসুফ জিলানী। বক্তব্যে বক্তারা বলেন বিতর্কিত লেখিকা, ইয়াহুদী খৃস্টানদের দালাল, নাস্তিকদের দোসর, বিকৃত ও খোলামেলা যৌনতার ধারক, নির্লজ্জ ও বেহায়াপনায় উন্মাদ, দেশ পলাতক, ভারতে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিন বিরোধী আন্দোলনের রূপকার কাজী সোলায়মান চৌধুরী।
৩০ জুন, ১৯৯৪ সালে ছাত্রসেনার ডাকে হরতাল পালনকালে কেন্দ্রীয় সভাপতি মজলুম জননেতা কাজী সোলায়মান চৌধুরীর নেতৃত্বে ঢাকার মুহাম্মদপুরে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে নাস্তিক কুলাঙ্গাররা অতর্কিত আক্রমন করে। কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে বীরের মতো তাদের মোকাবেলা করেছেন কাজী সোলায়মান চৌধুরী। তবু পিছু হটেননি। নাস্তিক আক্রমনে তাঁর মূল্যবান দুটি চক্ষু হারিয়েছেন। কিয়ামত পর্যন্ত ছাত্রসেনার প্রত্যেক কর্মীর হৃদয় মাজারে সোলায়মান চৌধুরী চির অমর হয়ে থাকবেন। জেলা সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম রুবেল এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা যুবসেনা সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা মাষ্টার মুহাম্মদ কমরুদ্দীন, জননেতা মাষ্টার আলী খাঁন, যুবনেতা দিদারুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, এইচ এম এনামুল হক, জোবাইরুল হক, নূরের রহমান (রণি), হাফেজ রফিকুল ইসলাম, হাসান মুরাদ পারভেজ, জমির উদ্দীন, আবদুল মুবিন, কামাল হোসাইন, মুহাম্মদ ওসমান প্রমুখ। মিলাদ কেয়াম ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।