চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

admin

পটিয়া পৌরসভার গুয়াদন্ডী টু কেলিশহর শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার সড়কে দুর্ভোগ

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৮ ২২:৫৬:৫৩ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৮ ২২:৫৬:৫৩

আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ : 

পটিয়া পৌরসভার গুয়াদন্ডী টু কেলিশহর শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার সড়কটি ম্যাকাডম হলেও বিগত ৪/৫ বছর ধরে কার্পেটিং বিহীন পড়ে আছে। ফলে এ সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। তারা অবিলম্বে সড়কটির ম্যাকাডমকৃত অবশিষ্ট অংশে কার্পেটিং করে চলাচল উপযোগী করার জন্য পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার ৩নং ও ৯নং ওয়ার্ডের শেষ সীমানায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার রয়েছে। যেখানে শুধু পটিয়া নয়, সারা দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী লোকজনের আগমন ঘটে। ফলে এটি দিনে দিনে মানুষের প্রিয় তীর্থস্থানে পরিণত হচ্ছে। যে কারণে এ প্রতিষ্ঠানে যাতায়তে গুয়াদন্ডী টু কেলিশহর সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে বিগত ৪/৫ বছর ধরে এ সড়কের ম্যাকাডম করেও কার্পেটিং না করায় এটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এ সড়কের এতই দূরবস্থা যে, গাড়ী নিয়ে কেন? পাঁয়ে হেটে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। তারা অবিলম্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত সরকার ও পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, বিগত ৪/৫ বছর এ সড়কে ম্যাকাডম করেও কার্পেটিং না করায় এটি মৃত্যুকূপে পরিণত হচ্ছে। তারা অবিলম্বে ম্যাকাডমকৃত সড়কের সংস্কার ও অসম্পূর্ণ কার্পেটিং সম্পন্ন করার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান। পটিয়া শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক বিকাশ দাশ বাবু বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন শত শত সাধারণ মানুষ ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাছাড়াও শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগারের দর্শণার্থীরা এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। আমরা পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন নিবেদন করেও যেন প্রতিকার পাচ্ছি না। আমরা অবিলম্বে ম্যাকাডমের অবশিষ্ট অংশে কার্পেটিং চাই। স্থানীয় অধিবাসী আবু তাহের বলেন, এটি প্রাচীন সড়ক হওয়া সত্তে¡ও উন্নয়ন কখনো চোখে পড়নি। পৌরসভা কিছু অংশে ম্যাকাডম করলেও মাত্র ২/৩ হাজার ফুট কার্পেটিং না হওয়ায় এলাকার মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। রাসেল বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. এর সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর এ সড়কে ম্যাকাডম করা হলেও বার বার অনুরোধ করার পরও ঠিকাদার কার্পেটিং এর কাজ শেষ না করায় এবারও আমরা ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেলাম না। দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মিহির চক্রবর্ত্তী বলেন, পটিয়ায় বিগত সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তারই ধারবাহিকতায় দক্ষিণ ভূর্ষিতেও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা অব্যাহত রাখা তথা অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য। শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি ও দক্ষিণ ভূর্ষি ইউপি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ট সন্তান শেখ রাসেলকে নিয়ে যেই সংগঠন, সেই সংগঠনে যাওয়ার রাস্তা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ। এটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমি আশা করবো পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এ সড়ক সংস্কার ও অবশিষ্ট অংশ এর কার্পেটিং কাজ শেষ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনে সহযোগিতা করবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *