Faruque Khan
Executive Editor
প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৯ ১৯:৪৩:৩৭ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৯ ১৯:৪৩:৩৭

নিউজ ডেস্ক : সোমবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় সাত ঘণ্টার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে এই অনশন কর্মসূচিতে যে সমস্ত বক্তারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে এসেছে যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে এ দেশে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে না।
এই অনশন কর্মসূচি থেকে আমরা দাবি করছি, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এই দাবি আবারও করছি যে, এখানে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে, নির্বাচন কমিশন ভেঙে দিয়ে পুনরায় গঠন করতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তবেই নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হলে এ দেশে নির্বাচন হবে অন্যথায় নির্বাচন হবে না।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে আজকে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না, তার ন্যূনতম যে প্রাপ্য, সেই প্রাপ্যটুকু তাকে দেওয়া হচ্ছে না। এই সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তার সব কিছু রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। দেশনেত্রীকে দূরে সরিয়ে রাখার উদ্দেশ্য একটাই। সেটা হচ্ছে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। উদ্দেশ্য একটাই বিএনপিকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।’
সকল রাজনৈতিক ও পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য শুধু নয়, বিএনপি নির্বাচন যাওয়ার জন্য নয়। আজকে এ দেশের মুক্তির জন্য, ১৬ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য, মানুষের আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেবার জন্য, স্বৈরাচার সরকারের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিতের প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে বিএনপির উদ্যোগে মহানগর নাট্যমঞ্চ প্রাঙ্গনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশন হয়। এতে ঢাকা মহানগরসহ অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অনশনে অংশ নেন। রাজধানী ছাড়াও সারা দেশে প্রতীকী অনশনের এই কর্মসূচি পালিত হয়।