চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

admin

গুহা থেকে তৃতীয় দফায় উদ্ধার ৩ জন, রইল বাকী এক বালক ও কোচ!

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১০ ১৭:১১:০৯ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১০ ১৭:১১:০৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মঙ্গলবার সকাল থেকে তৃতীয় দফার উদ্ধারপর্ব শুরু হয়েছে থাম লুয়াং গুহায়। ১ম ও ২য় দফায় ৮জনকে উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজন কিশোর ফুটবলার এবং তাদের কোচ এক্কাপোল চিন্থাওয়ংকের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের বের করে আনা হয়। পাঁচজনকেই একবারে বের করে আনার চেষ্টা করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে এক কিশোর ও কোচকে গুহায় রেখে আসতে বাধ্য হন তারা। ফলে, তাদের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরো একটি বিভীষিকাময় রাত।

আজ সকালেই তার ছোট সাবমেরিনের ছবি টুইট করে মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস এক্সের মালিক এলন মাস্ক বলেছেন, তার এই সাবমেরিনের নাম তিনি থাই ফুটবল দলের নামে রেখেছেন ওয়াইল্ড বোর সাবমেরিন। উদ্ধারকারীদের যদি প্রয়োজন লাগে সেজন্য আপাতত সাবমেরিনটি তিনি থাম লুয়াং গুহার কাছে রেখে গিয়েছেন। মাস্ক বলেন, এই সাবমেরিনে

ফ্যালকন রকেটের অক্সিজেন ট্রান্সফার পাইপ রয়েছে যাতে তরল অক্সিজেন আদানপ্রদান সম্ভব। এটা এতোটাই হাল্কা যে দু’‌জন ডাইভার এটিকে বয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। সরু খাঁজ দিয়েও এটা নিয়ে যাওয়া যাবে। এর ভিতরে যে থাকবে তার অক্সিজেনের বোতল ব্যবহারের বা সাঁতার জানারও প্রয়োজন নেই।

উদ্ধারকারী দলের বেস ক্যাম্প থাম লুয়াং গুহাশ্রেণির তিন নম্বর চেম্বারেই রাখা আছে মাস্কের সাবমেরিন। তিননম্বর গুহা গুহামুখের থেকে দু’‌কিলোমিটার দূরে এবং যেখানে ফুটবলাররা এবং তাদের কোচ রয়েছেন সেখান থেকেও প্রায় দু’‌কিলোমিটার দূরে। তবে মাস্কের সাবমেরিন উদ্ধারকারীরা ব্যবহার করবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। কারণ আপাতত তৃতীয় দিনের উদ্ধারপর্বে সবাইকেই একবারে নিয়ে আসার চেষ্টায় নতুন পরিকল্পনায় ব্যস্ত তারা।

উদ্ধারকারী দলের প্রধান নারোংসাক ওসোত্তানাকোর্ন বলেছেন, আগের দু’‌দফার অভিজ্ঞতায় তারা বুঝতে পেরেছেন, দু’‌ঘণ্টা আগে উদ্ধারের কাজ শুরু করলে বৃষ্টি আসার বিকেলের মধ্যেই সবাইকে বের করে আনা সম্ভব হবে।

তবে তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেনের জোগান যাই। এর আগে যেহেতু চারজন করে বের করে আনা হয়েছিল, তাই একবারে পাঁচজনকে বের করে আনার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছিল।

এদিকে, চিকিৎসকরা বলেছেন, এখনও আপাতত এক সপ্তাহ উদ্ধার হওয়া কিশোরদের হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তবে থাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, সবাই সুস্থ আছে এবং কেউই আতঙ্কিতও নয়। ১২ কিশোরদের মধ্যে ৬ জন যে স্কুলের ছাত্র সেই স্কুল কর্তৃপক্ষও অভিভাবকদের সঙ্গেই উদ্বেগে রয়েছে। কিশোরদের বন্ধুরা বলেছে, তাদের বন্ধুরা ফিরে এলে সবাই মিলে মধ্যাহ্নভোজে যাবে। ফিফাও খুদে ফুটবলারদের মস্কোয় বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছে আগে থেকেই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *