চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

admin

পটিয়া পৌরসভার প্রায় ৮২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১০ ০১:১৮:৫৬ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১০ ০১:১৮:৫৬

আবদুল হাকিম রানা, বীর কন্ঠ : 

পটিয়া পৌরসভার ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের প্রায় ৮২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। আজ সোমবার পৌরসভা মিলনায়তনে জনার্কিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ বাজেট ঘোষনা করেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ। এতে এবারে সর্বমোট বাজেট ঘোষনা করা হয় ৮১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। তারমধ্যে রাজস্ব বাজেট ১০ কোটি ৮৯ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা, উন্নয়ন বাজেট ৭০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা, এছাড়াও এতে  রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৯ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা, রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ১৪ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা। আর রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকছে ৫ কোটি ৭৪ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা। এবারের বাজেটে রাজস্ব উদ্বৃত্ত থেকে উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, সমাপনি জের থাকছে ২৪ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা। এছাড়াও উন্নয়ন বাজেট রাখা হয়েছে রাজস্ব খাত থেকে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে এডিপি ৭ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন প্রকল্প খাত থেকে ৭ কোটি ও এমজিএসপি থেকে ৫০ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা।

বাজেট ঘোষনাকালে মেয়রকে সহযোগিতা করেন পৌর সচিব মুহাম্মদ মহসিন ও হিসাব রক্ষক গোলাম মুহাম্মদ, সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আবু ছৈয়দ, কাউন্সিলর গোফরান রানা, কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর আবদুল মান্নান, মহিলা কাউন্সিলর  বুলবুল আকতার, ইয়াছমিন আকতার, ফেরদৌস বেগম প্রমুখ।

এতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাবনা রাখেন পটিয়া আদালতের পিপি বদিউল আলম, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ নুরুল ইসলাম, সাংবাদিক হারুনুর রশীদ, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাকিম রানা, সাংবাদিক সমিতির সম্পাদক এটি এম তোহা, সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী। এসময় মেয়র বলেন, নতুন করে পৌরসভায় কোন কর আরোপ করা হয়নি। তবে পরিকল্পিত নগরায়নে বর্তমানে বেশ কয়েকটি মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। যার ধারাবাহিকতা রক্ষায় ৮১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৪৫ হাজর টাকার এ নতুন বাজেট গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখবে। তিনি বাজেট বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, পটিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুধু মাত্র বর্তমানেই একাধিক মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। যে কারণে বিভিন্ন সময়ে ঝড় বৃষ্টি অথবা প্রাকৃতিক দূর্যোগ পৌরবাসীর সাময়িক অসুবিধা করছে। এতে কারো হাত নেই। তবে চলমান প্রকল্প গুলো শেষ হলে জলাবদ্ধতার মত সমস্যা গুলোর স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি পৌরবাসীকে তার মেয়াদকালীন সর্বোচ্চ নাগরিক সেবা দিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, পৌরবাসীকে তার প্রাপ্য নায্য সেবা দিতে পৌর কর্তৃপক্ষ বদ্ধ পরিকর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *