admin
প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১৫ ২২:৩৩:৩৩ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১৫ ২২:৩৩:৩৩

নূর হোসেন মামুন, কাপ্তাই:
ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক লাইসেন্স থাকার কথা থাকলেও কাপ্তাইয়ের অধিকাংশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোন লাইসেন্স। ছয় ফিট বাই আট ফিট কিংবা তার চেয়ে বেশি এমন একটা কক্ষ নিয়ে দিনের পর দিন চলছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নামে রোগ নির্ণয়। জনবল সব মিলিয়ে একজন। যিনি টেস্ট করেন তিনিই সব। আর কেউ নাই। নেই রিপোর্ট কনস্যালট্যান্ট এর স্বাক্ষর। অবাক করার ব্যাপার হলো এই রিপোর্ট দেখিয়েই কেউ কেউ ঔষধ কিনছেন ফার্মেসী থেকে, ফার্মেসী ওয়ালারাও সমানে বিক্রি করছেন ঔষুধ। রিপোর্টের উলটা পিঠে আবার প্রেসক্রিপশন দেয়া আছে। এই প্রেসক্রিপশন কে লিখেছেন তার নাম ও নেই সেখানে
কাপ্তাইয়ের নতুন বাজার এলাকায় অাজ রবিবার দুপুরে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ অাদালত। এসময় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক কোন লাইসেন্স না থাকায় কাপ্তাই ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেডিকম ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করা হয়েছে। কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় গরু মোটা তাজাকরণ ঔষধ বিক্রয়, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষুধ বিক্রয়ের অপরেধে হক মেডিকেল সেন্টারকে ৩হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান অাদালত।
ভ্রাম্যমান অাদালত পরিচালনা করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট রুহুল অামিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যান সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি বাবু সাগড় চক্রবর্ত্তী সহ অারও অনেকে। এদিকে ভ্রাম্যমান অাদালত অাসার খবরে নতুন বাজারের অধিকাংশ ঔষুধ বিক্রেতারা দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল অামিন বলেন, যেই দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করা হয়েছে তাদের লাইসেন্স সহ কোন কিছুই নেই। ছোট্ট একটি মুদি দোকানকে পাটিশন দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত রোগ নির্ণয় করে অাসছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কোন কনস্যালট্যান্ট, ডাক্তার কিছুই নাই।