চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

Faruque Khan Executive Editor

খালেদার বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী ছাড়া কেউ কিছু বলেননি

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১৫ ২০:১৪:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১৫ ২০:২২:০৮

নিউজ ডেস্ক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ ছাড়া আর কেউ কিছু বলেননি বলে আদালতকে জানিয়েছেন আইনজীবী আবদুর রেজাক খান

১৫ জুলাই, রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির সময় এ কথা জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী।

আবদুর রেজাক খান বলেন, ‘মামলার প্রথম সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ ছাড়া অন্য কোনো সাক্ষী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। এ মামলার প্রথম অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নুর আহম্মদ যে অনুসন্ধান রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন তার বাইরে। সেই অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বিষয়বস্তুর ভিতরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিছু ছিল না।

তিনি (হারুন-অর-রশিদ) অনুসন্ধান রিপোর্টের বাইরে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ব্যাংকের হিসাব খোলাসহ কোনো ডকুমেন্টে খালেদা জিয়ার নাম নাই। প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি পড়া শেষে আগামীকাল সোমবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।’

১৫ জুলাই, রবিবার বেলা দুইটায় খালেদা জিয়ার আপিলের শুনানি শুরু হয়। শুরুতেই খালেদা জিয়ার আইনজীবী এজে মোহাম্মাদ আলী আদালতকে বলেন, ‘এ আপিলের পেপার বুক অসম্পূর্ণ। এ অবস্থায় মামলার শুনানি করা যায় না।

তখন আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পেপার বুকের বিষয়ে সঠিক যুক্তি দিতে না পারায় আদালত পেপার বুকের বিষয়েও আগামীকাল আদেশ দেবেন মর্মে দিন নির্ধারণ করেন।’

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল, ফারুক হোসেন, একেএম এহসানুর রহমান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেয় বিচারিক আদালত। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন চান খালেদা জিয়া।

আপিল শুনানি শুরু হয় ১২ জুলাই। এরপর রবিবার দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি করে আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *